দুপুরে ডনের পক্ষে আইনজীবী এম ফরিদুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম জুয়েলসহ কয়েকজন আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত ডনের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সালমান শাহর আইনজীবী আবিদ হাসান।
আদালতে দেওয়া জামিন আবেদনে ডনের আইনজীবীরা দাবি করেন, মামলার এজাহার ও গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। কথিত ঘটনার সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন না। এসব কারণে তাকে জামিন দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
এর আগে গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় ডনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তাকে হেফাজতে নেয় সিআইডি।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান সালমান শাহ। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলেও পরবর্তী সময়ে ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে গড়ায়। দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত এ মামলার তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম উঠে আসে।
২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সামিরা হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।
এস