আজ রোববার বাদ জোহর বারিধারার নয় নম্বর রোডের পার্ক মসজিদে শাহনাজ রহমত উল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে বনানীতে সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে আজই তাকে দাফন করা হবে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন শাহনাজ রহমত উল্লাহ’র স্বামী মেজর (অব.) আবুল বাশার রহমত উল্লাহ।
গেল রাত সাড়ে ১১টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান বরেণ্য সংগীতশিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহ।
শাহনাজ রহমত উল্লাহ’র মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শোক জানিয়ে পোস্ট করছেন ভক্তরা।
শাহনাজ রহমত উল্লাহ'র স্বামী মেজর (অব.) আবুল বাশার রহমত উল্লাহ ব্যবসায়ী, ছেলে এ কে এম সায়েফ রহমত উল্লাহ কানাডায় থাকেন, মেয়ে নাহিদ রহমত উল্লাহ থাকেন লন্ডনে।
১৯৫২ সালে জন্ম নেয়া এই শিল্পী মাত্র ১১ বছর বয়সে ১৯৬৩ সালে রেডিও এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে গানে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে প্রথম গান করেন। পাকিস্তানে থাকার সুবাদে করাচি টিভিসহ উর্দু ছবিতেও গান করেছেন। গান শিখেছেন গজল সম্রাট মেহেদী হাসানের কাছে।
‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’, ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘একবার যেতে দে না আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়’, ‘একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল’, ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘খোলা জানালা’, ‘পারি না ভুলে যেতে’সহ অসংখ্য কালজয়ী গান গেয়েছেন তিনি।
শাহনাজ রহমত উল্লাহ ১৯৯০ সালে ‘ছুটির ফাঁদে’ ছবিতে গান গেয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৯২ সালে পান একুশে পদক। ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ এর সৌজন্যে তিনি পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা। এছাড়া গান গেয়ে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
জেড





