ঘটনা প্রসঙ্গে চিত্রনায়ক অনিক রহমান অভি বলেন, ‘ঝিলিক আর নেই। স্বামীর দাবি ৮ তলার বারান্দা থেকে পড়ে গেছে। কিন্তু পরিবারের দাবি স্বামী মেরে ফেলেছে।’ তিনি আরও জানান, বিয়ের পর ঝিলিক জানতে পারে তার স্বামীর আগের সংসার ও সন্তান ছিল। যা তার নিকট গোপন করা হয়েছিল। বিয়ের পর ঝিলিককে কারও সাথে কথা বলতে দেওয়া হতো না। ফেসবুক ও ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না। এমনকি মিডিয়া থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা হয়েছিল। মাঝে মাঝে ভাইয়ের ফোনে কল করে কান্নাকাটি করতো।
নিহতের ভাই মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমার বোনকে ওর স্বামী মেরে ফেলেছে। আমরা ধানমন্ডি থানায় বোন হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করেছি।’ তিনি জানান, ঝিলিক ও তার স্বামী সাইফুল্লাহ বাংলাদেশ মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে রাগারাগির একপর্যায়ে ৮ তলা থেকে ঝিলিককে ফেলে দেয় সাইফুল্লাহ।
পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ করা হলেও পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে হত্যার কোনো প্রমাণ পাইনি। ময়নাতদন্ত হয়েছে। মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
আসমা ঝিলিক ছোট ও বড় পর্দায় নিয়মিত কাজ করলেও কয়েক বছর ধরে শোবিজ থেকে দূরে ছিলেন। জানা গেছে, এক প্রযোজককে ভালোবেসে বিয়ে করে সংসারে মন দিয়েছিলেন তিনি। স্বামীর অনাগ্রহে ছেড়েছিলেন অভিনয়।
এমএম