এদিকে গ্ল্যামার জগতকে দূরে সরিয়ে সন্তান আর সংসারকে আগলে রাখার এই পথচলাকেই জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন প্রীতি। বিয়ের পর এবং সন্তানরা পৃথিবীতে আসার পর ধীরে ধীরে ক্যামেরার সামনে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দেন তিনি।
অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও বসে থাকেননি; উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসার দুনিয়ায় গড়ে তুলেছেন নিজের শক্তিশালী পরিচিতি। সর্বশেষ ২০১৮ সালে ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ চলচ্চিত্রে সানি দেওলের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল তাকে।
কাকতালীয় বিষয় হলো, দীর্ঘ আট বছর পর ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবির মাধ্যমে যখন তিনি আবারও কামব্যাক করছেন, তখনও তার বিপরীতের নায়ক সেই সানি দেওলই।
সম্প্রতি এই চলচ্চিত্রের একটি প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ বিরতি নিয়ে প্রীতি জিনতা বলেন, ‘সত্যি বলতে সিনেমাতে কাজ খুব বেশি মিস করিনি। বরং পরিবারের সঙ্গে উপভোগ করেছি মাঝের সময়টা। কারণ এটা একটা নতুন রকমের অভিজ্ঞতা।’
সন্তানকে জন্ম দেওয়া আমার জীবনের সবথেকে বড় মাইলস্টোন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন,‘সন্তানের জন্ম, তাকে বড় করা, ব্যক্তিগত জীবনের দিকে মনোনিবেশ করা। ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, সন্তানকে জন্ম দেওয়া আমার জীবনের সবথেকে বড় মাইলস্টোন।’
এস