বর্তমানে চিকিৎসার জন্য তাদের পাতায়ার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের কোলান দ্বীপের একটি পাহাড়ে চলছিল নাটকটির দৃশ্যধারণ। শুটিং শেষে স্কুটিতে চড়ে নিচে নামছিলেন খায়রুল বাসার ও চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনি। বাহনটি চালাচ্ছিলেন রনি।
কিছু দূর এগোতেই হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্কুটিটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটেছিল যে মুহূর্তের মধ্যে রক্তপাত ও গুরুতর আঘাত সামলে উঠতে তাদের বেগ পেতে হয়। পরে পেছনে থাকা শুটিং টিমের সদস্যরা দ্রুত গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
খায়রুল বাসার জানান, পাহাড় থেকে নামার সময় একদমই নিয়ন্ত্রণ ছিল না স্কুটির। মুহূর্তে পড়ে গিয়ে বুকে প্রচণ্ড চোট পান তিনি, আঘাত লেগেছে হাঁটুতেও। সোজা হয়ে দাঁড়ানো কিংবা হাঁটাচলা করা বর্তমানে তার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনির শরীরের বিভিন্ন স্থান ছিলে গিয়ে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে।
আঘাতের তীব্রতা বেশি থাকায় এবং দুজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় থাইল্যান্ডের চলমান এই শুটিং প্রজেক্টটি সাময়িকভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এক্স-রে রিপোর্ট দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরোপুরি সুস্থ হতে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন বিশ্রাম প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
এমএম