এর পর ১ জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনই ফেসবুকে রক্তাক্ত দাগের বিছানার ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে হইচই পড়ে যায় দেশের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে। সংসার ভাঙার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। একই দিন অন্য স্ট্যাটাসে পরী তার ওপর গায়ে হাত তোলার মতো অভিযোগও করেন স্বামী রাজের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে রাজ বলেন, ‘আমি এখন চুপচাপ আছি। কিছু বলতে চাইছি না। এই পরিস্থিতিতে আমার এখন একা থাকা দরকার। পরে এসব ব্যাপারে কথা বলব।’

আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে ভুল-বোঝাবুঝির সুযোগ থেকে যায় কিনা, তা জানতে চাইলে রাজ বলেন, ‘ভুল বুঝলে বুঝুক। তবে আমি স্পষ্ট বলি- আমি কোনো ভুল করিনি।’

তাদের সম্পর্ক যে আর টিকছে না, সেটিও স্পষ্ট করেন রাজ- ‘না, আর হবে না (জোড়া লাগবে না)।’

ফেসবুকে পরীমনির পোস্ট করা ছবি ও স্ট্যাটাসকে ইঙ্গিত করে রাজ বলেন, ‘মাই বেডরুম ইজ প্রাইভেট, ভেরি প্রাইভেট। নট ফর পাবলিক। বাট আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নেয়, নিচ্ছে।’

এর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটে রাজ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন— ‘হ্যালো গডফাদারস অ্যান্ড গং। আই ওয়ান্ট টু নো ইউ গাইজ। আই লাইভ ইন ঢাকা, আই উড লাভ টু চিয়ার্স।’

রাজের পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, তিনি হয়তো হুমকি পেয়েছেন বা পাচ্ছেন। তার জবাবেই এসব কথা লিখেছেন। এবং সেই উড়ো হুমকিদাতাদের সরাসরি দেখেও নিতে চান রাজ।

পরীমনি ও শরীফুল রাজ দুজনের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের সম্পর্কে চিড় ধরেছে কয়েক মাস আগে। সন্তান পৃথিবীতে আসার পরও কয়েক মাস ভালো ছিলেন। এরপর টুকটাক কথা-কাটাকাটি হতো। তারপর সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে।