রাজধানী মালে থেকে প্রায় ৪৬৫ কিলোমিটার দূরের থিনাধু দ্বীপে সরাসরি বিমানবন্দর না থাকায় প্রতিনিধি দলকে স্থানীয় বিমানে কাধিদু বিমানবন্দর হয়ে নৌপথে পৌঁছাতে হয়।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মো. সোহেল পারভেজ। দলের অন্য সদস্য ছিলেন তৃতীয় সচিব মো. জিল্লুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিরিন ফারজানা, কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান ও কনস্যুলার সহকারী এবাদ উল্লাহ।
১১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এ ক্যাম্পে ই-পাসপোর্ট ও এমআরপি এনরোলমেন্টের পাশাপাশি প্রায় ৬০ জন প্রবাসী ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য কার্ড গ্রহণ করেন। এতে প্রবাসীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয় বলে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
সফরকালে প্রতিনিধি দল থিনাধু সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান ও আনডকুমেন্টেড বাংলাদেশিদের বৈধকরণে সহযোগিতার অনুরোধ জানায়। কাউন্সিলও সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মো. সোহেল পারভেজ। তিনি বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো, কল্যাণ বোর্ডের কার্ড গ্রহণ, স্থানীয় আইন-কানুন মেনে চলা ও স্বাস্থ্যসচেতন থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভিসা-দালাল চক্র, অবৈধ ব্যবসা ও মাদক থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
সফর শেষে প্রবাসীদের মাঝে খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। প্রবাসীদের পাশে থেকে নিয়মিত সেবা প্রদানের এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
এমএম














