মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৫৪ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন, ৩ হাজার ৮৬৫ জনের বিরুদ্ধে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ৩ হাজার ৪৮৬ জনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১ হাজার ৮৮১ জনকে আটক করা হয়েছে। সীমান্তপথে অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ২২ জনকে।
আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া, নিয়োগ কিংবা তাঁদের পরিচয় গোপন রাখার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ৩৭ হাজার ৬১৮ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তাঁদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৪৪৯ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ১৬৯ জন নারী।
এদিকে ভ্রমণসংক্রান্ত নথি সংগ্রহের জন্য ২০ হাজার ২৫২ জনকে নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। ভ্রমণের আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে আরও ৬ হাজার ৫৫৫ জনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনকালে মোট ৭ হাজার ৯৩৪ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশে সহায়তা করা, দেশটির অভ্যন্তরে তাঁদের পরিবহন করা, আশ্রয় দেওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
এসব অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন এবং আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়ও প্রকাশ্যে প্রকাশ করা হতে পারে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এসব অপরাধ গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।
সূত্র: সৌদি গেজেট
এস
















