ভিডিওর শুরুতেই ধরা পড়ে এক আবেগঘন দৃশ্য। একজন বয়স্ক গাজাবাসী গভীর মমতা ও কৃতজ্ঞতায় সংস্থাটির ইউনিফর্মের লোগোতে চুম্বন করছেন। এই একটি দৃশ্যেই বলা হয়ে যায় অনেক কিছু। এটি কেবল কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি বিশ্বাসের প্রতীক, ভালোবাসার প্রতীক এবং মজলুম মানুষের হৃদয়ে বাংলাদেশের মানবিক উপস্থিতির এক শক্তিশালী স্বীকৃতি।
গাজার রিমাল ও উত্তর গাজা অঞ্চলে সংস্থাটির পরিচালিত ৮০টি তাঁবুর ক্যাম্পে বর্তমানে প্রায় ৫০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য এতিম ও স্বজনহারা শিশু। সেই শিশুরাই ঈদের দিন হাততালি দিয়েছে, নেচেছে এবং উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে। যুদ্ধের ধূলিধূসর পরিবেশে এই হাসিগুলো মানবিক সহায়তার বাস্তব শক্তিকে চোখের সামনে স্পষ্ট করে তোলে।
চলতি রমজানকে কেন্দ্র করে গাজা ও সুদানে ৪০টিরও বেশি প্রকল্প এবং রাফা ও আসওয়ান সীমান্তে আগত বাস্তুচ্যুতদের জন্য আরও ১৭ থেকে ১৮টি প্রকল্পসহ মোট ৬০টিরও বেশি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে সংস্থাটি। প্রায় ৬,০০০ কিলোমিটার দূরের একটি দেশ থেকে এভাবে ধারাবাহিকভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।
সংস্থার মহাপরিচালক মুহাম্মদ রাজ বলেন, রমজানকেন্দ্রিক প্রায় ২৫ লাখ টাকার কার্যক্রমের পূর্ণ হিসাব ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে এবং বাকি কার্যক্রমের আপডেটও রিসিপ্টসহ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সংস্থার দৃষ্টিতে এসব কার্যক্রম কেবল দৃশ্যমান উদ্যোগ নয়, এগুলো দাতাদের আমানতের সঠিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের জীবন্ত প্রতিফলন।
এমএম