শীত আর ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ছড়িয়ে পড়ছে রোটাভাইরাস। পানিবাহিত হলেও বর্তমানে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সহস্রাধিক নবজাতক ও শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
৩ থেকে ৫ দিনেও সুস্থ না হওয়ায় আক্রান্তদের নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয়ের কিছু নেই। পর্যাপ্ত যত্ম ও নিয়মিত চিকিৎসা হলে ৫ থেকে ৭ দিনেই সুস্থ হওয়া যায়।
সোমবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকসহ হাট-বাজারের চিকিৎসাকেন্দ্রে দেখা যায়, ভাইরাস আক্রান্তদের নিয়ে উপচেপড়া ভিড় জমিয়েছেন অভিভাবকরা।
তাপমাত্রাকে সংশ্লিষ্টরা স্বাভাবিক মনে করলেও একটানা ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে রোটাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে শিশু ও নবজাতকরা। সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১০ দিন ধরে উপজেলার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ১০.৮০ ডিগ্রি থাকলেও সোমবার ১০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছিল।
দিন ও রাতে হিমেল হাওয়া আর সূর্যোদয় অর্ধেক দিন দেখা গেলেও তাপমাত্রা বাড়েনি। তবে শীতের এ শেষ সময়ে কোনো ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন এ অধিদফতরের ইন-চার্জ মো. আসাদুজ্জামান।
কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য পরিদর্শকরা জানান, এ ভাইরাসে আক্রান্তদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পরই সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হচ্ছে। অনেকে সুস্থ হলেও বেশিরভাগই হাসপাতালমুখী হয়েছেন। তবে সামর্থ্যবানরা ছুটছেন শিশু বিশেষজ্ঞদের কাছে।
এদিকে, হাসপাতালে রোটাভাইরাসে আক্রান্ত শিশুর অভিভাবকরা জানান, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা ও বমির কারণে তিন থেকে পাঁচ দিন চিকিৎসার পরও শিশুরা সুস্থ না হওয়ায় তারা দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন।
তবে গত ১০ দিনে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই শতাধিক শিশু বহির্বিভাগে এবং আন্তঃবিভাগে প্রায় দেড়শ শিশু ও নবজাতক চিকিৎসা নিয়েছে। তারা সবাই সুস্থ হয়ে ফিরেছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়াসিম বারি জয় জানান, এ ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেওয়ার পর দুই থেকে তিন দিন গত হওয়ার পর এখানে আসে। তবে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাথমিক অবস্থায় এ হাসপাতালে আসলে এর আরোগ্য দ্রুত সম্ভব।
এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবু আহমেদ মর্তুজা জানান, এতে ভয়ের কিছু নেই। এ ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া ভালো। বাড়তি যত্ম ও নির্দেশ মতো ওষুধের পাশাপাশি খাওয়ার স্যালাইন খাওয়ালে দ্রুত আরোগ্য সম্ভব। তবে, যেহেতু শীতল আবহাওয়াজনিত কারণে রোটাভাইরাসের আবির্ভাব, তাই এ আবহাওয়া কেটে গেলে এর প্রকোপ আর থাকবে না।
[b]নীলফামারী, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
স্বাস্থ্য
নীলফামারীতে ছড়িয়ে পড়ছে রোটাভাইরাস
শীত আর ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ছড়িয়ে পড়ছে রোটাভাইরাস। পানিবাহিত হলেও বর্তমানে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সহস্রাধিক নবজাতক ও শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ৩ থেকে ৫ দিনেও সুস্থ না হওয়ায় আক্রান্তদের নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন





