গোলাপি রঙের ফুলের কুঁড়িকে রোদে শুকিয়ে বাদামি করে নেওয়া হয়। গোটা ফোড়ন হিসাবে দেওয়া যায় রান্নায়, আবার শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দেওয়া যায় রান্নার একদম শেষে। একটু মিষ্ট-একটু ঝাঁঝালো। শুধ মশলা হিসেবে নয়, ওষুধ হিসেবেও লবঙ্গর গুণ অপরিসীম। দাঁতে ব্যথা সারাতে, অনিদ্রা দূর করতে, এমনকী ফুসফুস, লিভার সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে লবঙ্গ।

লবঙ্গর পুষ্টিগুণ-

১০০ গ্রাম লবঙ্গে রয়েছে-

৬৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট

৬ গ্রাম প্রোটিন

১৩ গ্রাম টোটাল লিপিড

২ গ্রাম সুগার

২৭৪ কিলো ক্যালোরি শক্তি

৩৩ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার

খনিজ-

ক্যালসিয়াম

আয়রন

ম্যাগনেশিয়াম

ফসফরাস

পটাশিয়াম

সোডিয়াম

জিঙ্ক

ভিটামিন

বি ৬

বি ১২

সি, এ, ই, ডি, কে

থায়ামিন, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ফোলেট।

লবঙ্গের তেলে পাওয়া যায় ফ্ল্যাভোনয়েড, হেক্সানে, মেথিলিন ক্লোরাইড, ইথানল, থাইমল, ইউজেনল ইত্যাদি।

 

কী কী কাজ করে লবঙ্গ-

ইউজেনল থাকায় লবঙ্গের রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ যা

হজমে সাহায্য করে

মাড়ি ব্যথা উপশম করে

রুট কেনাল থেরাপিতে কাজে আসে

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে

সর্দি-কাশি সারায়

দাঁতে ব্যথা কমায়

ফোলা ভাব কমায়

 

ফুসফুসের ক্যানসারের আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় লবঙ্গ তেল

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুণের জন্য লিভার সুস্থ রাখে লবঙ্গ

 

কত ভাবে ব্যবহার করতে পারেন লবঙ্গ-

চা করার সময় জলে ফেলে দিতে পারেন একটু লবঙ্গ।

ঠান্ডা লাগলে লবঙ্গে দেওয়া জলের ভাপ নিতে পারেন।

লবঙ্গ ও তিলের তেল মিশিয়ে কপালে মাখতে পারেন। অনিদ্রা দূর হবে।

লবঙ্গ বাটার সঙ্গে মধু ও লেবু মিশিয়ে মাখলে ব্রণ-ফুসকুড়ি কমে, দাগ মোছে, মুখ উজ্জ্বল হয়। ব

আলমারিতে জামাকাপড়ের ভাঁজে এক কোণে রেখে দিন লবঙ্গ।

এআই