আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে বিএসএমএমইউ, বারডেম, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ ৪টি প্রতিষ্ঠানে ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিষয়ে উচ্চতর কোর্স চালু রয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বর্তমানে ৯৫ জন শিক্ষার্থী উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে অধ্যয়ন করছেন বা পাইপ লাইনে রয়েছে প্রায় ২০০ জন। যা ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের বিস্তৃত প্রসারে ক্ষেত্রে খুবই কম। ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের শয্যা সংখ্যা সারা দেশে মাত্র তিন হাজার। চাহিদার তুলনায় এই সংখ্যা একেবারেই নগন্য। একই সাথে ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের বিভিন্ন সাব স্পেশিয়ালিটি প্রসারের দরকার। এমন একটি সাব স্পেশিয়ালিটি হলো এভিয়েশন ইনটেনসিভিস্ট, যা অনেক দেশেই নাই। কিন্তু এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
এ সময় তারা উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আইসিইউ বিষয়ক অত্যাধুনিক গাইডলাইন তৈরি, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা চালু, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সদের প্রয়োজনীয় উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএমএমইউ উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন এমন একটি বিষয় যা যেকোনো মানুষের যেকোনো সময় প্রয়োজন হতে পারে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিলে বিএসএমএমইউতে এই বিভাগটি চালুর ক্ষেত্রে বর্তমান প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।
তিনি তার বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক বিভিন্ন সোসাইটির কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের জানাতে ইন্টারঅ্যাক্টিভ সেশন বিষয়ক প্রোগ্রাম করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
সম্মলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডা. এ এস এম আরেফিন আহসান, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ওমর ফারুক, অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. মো. আসাদুজ্জামান প্রমুখ।
এমএম