বর্তমানে মিষ্টিজাতীয় খাবার যেমন চকলেট বারেও বীজ থাকে। কেননা এই বীজে থাকে প্রচুর পুষ্টি। ছবিঘরে থাকছে বীজের উপকারিতা।

 

 

 

 

ডালিম/আনারের বীজ:

আনারের অনেক গুণ। হৃদরোগ থেকে মুক্তি এবং দীর্ঘ যৌনজীবন লাভের ক্ষেত্রে আনারের জুড়ি নেই। আনারের বীজে কোনো ক্যালরি নেই। তবে এতে আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আছে ভিটামিন সি, যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

ক্যানাবিস গাছের বীজ:

ক্যানাবিস গাছ থেকে গাঁজা তৈরি হয়। আবার এই গাছের বীজ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এতে প্রচুর আমিষ বা প্রোটিন রয়েছে। আর আছে অ্যামিনো এসিড। এছাড়া ক্যালরি পোড়াতেও সাহায্য করে এই বীজ। এগুলো বেটে শরবতও তৈরি করা হয়, যা ভাঙ হিসেবে পরিচিত।

তুলসীর বীজ:


তুলসীর বীজে প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে। দুই চামচ তুলসী বিচিতে যে ক্যালরি রয়েছে তা এক স্লাইস পনিরের সমান। দুধের সাথে তুলসী বিচি মিশিয়ে খেলে পুরুষদের বীর্য বৃদ্ধি পায় বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

কুমড়ার বিচি:

কুমড়ার বিচিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। এটি বলবৃদ্ধিকারক হিসেবেও বেশ পরিচিত।

তিল:

হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে তিলের ভূমিকা রয়েছে। তিলে আছে লিনোলেনিক এসিড, যাকে ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডও বলা হয়। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

তিসি বীজ:

তিসি বীজে আছে ক্যান্সার রোধকারী উপাদান। এতে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা অতিরিক্ত ঘাম হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া হাড়ের ব্যথায় খুব উপকারী এটি।

অঙ্কুরিত গম:

আপনার কি হজমের গণ্ডগোল আছে? তাহলে অঙ্কুরিত গম খেয়ে দেখতে পারেন। অঙ্কুরিত গমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। আরও আছে প্রচুর আঁশ।

সূর্যমুখী ফুলের বিচি:

এতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। এছাড়া আছে ভিটামিন এ, বি, ডি, ই এবং কে। আছে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন। ভিটামিন ই আপনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সূত্র: ডিডব্লিউ।

কেএইচ