সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় অসুস্থ গরুর মাংস খেয়ে শিশু, নারীসহ ২০ জন অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের পরীক্ষা নিরিক্ষা করে অ্যানথ্রাক্স রোগ হয়েছে বলে উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে নিশ্চিত করে।
এছাড়াও শাহজাদপুর উপজেলায় আরও ৯ জন অ্যানথ্রাক্স রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে তাদের নাম জানা সম্ভব হয়নি।
আক্রান্তরা হলেন- উল্লাপাড়া উপজেলার চর-নন্দিগ্রামের গোলাম মোস্তফা (২০), আব্দুর রহমান (৪২), সাইফুল ইসলাম (২৫), হারুন (৮), সোহেল (১৪), দুলাল হোসেন (৪০), সারোয়ার হোসেন (১৪), আল আমিন (৯), আনছার আলী (৪২),
বারেক হোসেন (১৪), জাহাঙ্গীর হোসেন (১৪), খুশি খাতুন (৪০), চয়ন (১৪), রেহানা (২২), আইয়ুব (৪২), সাথী (১৩), রুবিনা (৫০), রবিউল (৫৫), মালেক (৬০) ও অন্তরা (৫)।
উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট উল্লাপাড়া উপজেলার চর-নন্দিগ্রাম গ্রামের আব্দুর রহমানের একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরে গ্রামবাসী চাঁদা তুলে গরুটি কিনে জবাই করে মাংস ভাগ করে নেয়। এরপর থেকে গরুর মাংস কাটা ও রান্নার কাজের সঙ্গে জড়িতদের শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি শুরু হয়। পরবর্তীতে এদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হলে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
পরে সন্ধ্যায় এরা সকলেই অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। এর পর থেকে তাদের সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে চিকিৎসা দেয়া শুরু হয়।
উল্লাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. সুকুমার সুর রায় অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তদের জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. শামসুদ্দীন জানান, বিষয়টি জানার পর স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিয়েছে। অ্যানথ্রাক্স নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর





