দূরারোগ্য ও সংক্রামক ব্যাধি এইডস নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনএইডস। ২০৩০ সাল নাগাদ এইডসকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায় ইউএনএইডস। খবর আলজাজিরা ও ডয়চে ভেলের।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গত দু বছরে বিশ্বে এইডস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়েনি।

বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইউএনএইডস জানায়, এর ফলে এইডসকে মহামারি হতে না দেয়ার লক্ষ্য অর্জনে আরো আত্মবিশ্বাসী তারা৷ তবে গত বছর সারা বিশ্বে আরো অন্তত ২০ লাখ মানুষের দেহে এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থা৷

আশার কথা একটাই, ইউএনএইডস ধারণা করেছিল, ২০১২ ও ২০১৩ সাল মিলিয়ে এইচআইভি সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা সাড়ে তিন কোটির মতো হবে৷ এ অনুমান ভুল হয়নি৷ তার মানে, এইডস নিরাময়ের ওষুধ আবিষ্কারে সাফল্য না এলেও এ রোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর সুফল আসতে শুরু করেছে৷

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গত দু বছরে এইডসের কারণে মৃত্যুর হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল৷ ২০৩০ সালের মধ্যে এইডসে মৃত্যুর হার বর্তমানের চেয়ে ৯০ ভাগ কমিয়ে আনতে চায় ইউএনএইডস৷ এর আগে ২০১৫ সালের মধ্যে চিকিৎসা গ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেক এইডস রোগীকে চিকিৎসা সুবিধা প্রদানের লক্ষ্য স্থির করেছিল তারা৷

বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এইডস নির্মূলের অংশ হিসেবে নেয়া আরো কিছু কর্মসূচি সম্পর্কেও ধারণা দেয়া হয়৷ গত বছর সারা বিশ্বের ১ কোটি ২৯ লাখ মানুষকে প্রাণরক্ষাকারী ওষুধ দেয়া হয়েছে৷ তবে আরো ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ এখনো জীবন বাঁচানোর জন্য ওষুধের অপেক্ষায় রয়েছেন৷ প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, গত এক বছরে এইডস সংক্রান্ত রোগে মারা যান প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ।'

১৯৮০ সাল থেকে এইডস রোগে আক্রান্ত ৭ কোটি ৮০ লাখের মধ্যে মারা গেছেন ৩ কোটি ৯০ লাখ। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৫০ লাখ এইডস আক্রান্ত রোগী।
এইডসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০০১ সাল থেকে ৩৮ শতাংশ কমে যায়। তাছাড়া এইডসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২০০৫ সালে ৩৫ শতাংশ কমে যায়। সূত্র: আলজাজিরা ও ডয়চে ভেলে

ঢাকা, ১৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) এসএমএ