শীতকালের ছোট মাছ খেতে সুস্বাদু। গুঁড়া মাছে স্বাস্থ্যবান্ধব গুণগুলো জেনে নিন :

• শিশুদের রাতকানা রোগ ঠেকাতে ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ ছোট মাছ (মলা, ঢেলা ইত্যাদি) উপকারী।

• বাড়তি বয়সে কিশোরদের ছোট মাছ খাওয়ানো প্রয়োজন। এতে আছে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, এসকরবিক এসিড (ভিটামিন-সি), ভিটামিন বি-৩।

• গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য ছোট মাছ উপকারী। এতে আছে প্রচুর আমিষ, খনিজদ্রব্য, নিয়ামিন, ভিটামিন-ডি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-এ।

• উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ছোট মাছের ক্যালসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে, লিপিড প্রোফাইল ভালো থাকে।

• ডায়াবেটিস রোগীদের খনিজ লবণসমৃদ্ধ ছোট মাছ উপকারী।

• বৃদ্ধ বয়সে ছোট মাছের ক্যালসিয়াম উপকারী। শরীরে বৃদ্ধকালে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়।

• খাদ্যে অরুচি ও ক্ষুধামন্দা থাকলে ছোট মাছ মুখরোচক খাবার।

• বয়স ৫০-এর বেশি, হৃদরোগী, স্ট্রোকের রোগী, স্থূলদেহী, কোলেস্টেরল বেশি এমন রোগীদের জন্য ছোট মাছ উপকারী।

• ছোট মাছ গরিবের প্রোটিন চাহিদা মেটাতে সহায়ক। ১০০ গ্রাম রুই মাছে আছে ১৬ গ্রাম প্রোটিন এবং ১০০ গ্রাম পুঁটিমাছে আছে ১৮ গ্রাম প্রোটিন। তাই গরিবের জন্য পুঁটিমাছই স্বাস্থ্যবান্ধব।

জারিফ