ভারতকে বলা হয় ডায়াবেটিক ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড। সে দেশের প্রতি ৫ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৩ জন মনে করেন, প্রতিযোগিতামূলক এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এর কারণ।
১ হাজার ৬১৭ জন চিকিৎসকের কাছে ডায়াবেটিস রোগ বিষয়ে প্রশ্ন রাখা হয়। একটি অ্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় রোগীদের ডায়াবেটিসের চিকিৎসা বিষয়ে নানা তথ্য নেওয়া হয়।
৫৮.৮ শতাংশ চিকিৎসক মনে করেন, আধুনিক ভারতে মানুষের জীবনযাপনের কারণে ডায়াবেটিস বেড়ে গেছে। বংশগত কারণ ৭.২ শতাংশের ডায়াবেটিস হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখে।
এ বছরের ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের 'বিট ডায়াবেটিস' শিরোনামে এক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ম্যাক্স হেলথ কেয়ারের এন্ডোক্রাইনোলজির পরিচালক ড. সুজিত ঝা জানান, প্রক্রিয়াজাত যেকোনো খাবারে প্রচুর পরিমাণে চিনি, লবণ এবং ময়দা থাকে। এ কারণে মানুষের ডায়াবেটিস খুব বেশি পরিমাণে দেখা যাচ্ছে।
পরিসংখ্যানে বলা হয়, ৪১.৫ শতাংশ চিকিৎসক মনে করেন যে ৪০-৬০ শতাংশ রোগী চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ খেয়ে থাকেন। আবার ৩৩.২ শতাংশ চিকিৎসকের মতে, ৪০-৬০ শতাংশ রোগী তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। কিন্তু ৩২.৬ শতাংশ চিকিৎসকের মতে, ২০-৪০ শতাংশ রোগী তাদের রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা করিয়ে নিন।
ভারতের অ্যাপোলো হসপিটালের এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ড. রাধিকা জিন্দাল জানান, যাদের পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস আছে অথবা যারা পরিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে ভুগছেন, তাদের ৩৫ বছর বয়স থেকেই রক্ত পরীক্ষা করা উচিত।
যদি খুব দেরি করে জোর চিকিৎসা চালান, তবে স্বাস্থ্যের উন্নতি খুব কঠিন হয়ে পড়বে, জানান ডিভিশন অব এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ডায়াবেটিসের বিশেষজ্ঞ ড. আম্ব্রিশ মিত্তাল।
দ্য ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ ইন্ডিয়া ডায়াবেটিস স্টাডি জানায়, দেশটিতে ২০১১ সালে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ৬২.৪ মিলিয়ন। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
এমই





