আগামীকাল উৎযাপন হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদ উল আজহা। আর কোরবানীর ঈদে কোরবানীর গোস্ত থাকে খাবারের প্রধান অনুসঙ্গ হিসেবে। সাথে চলে গোস্ত সংরক্ষেণর নানা আয়োজন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে মাংসের শুঁটকি।
অনেকেই গরুর গোস্তের শুঁটকি করে রেখে অনেকদিন পর্যন্ত খান। বিশেষ করে বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে এর অনেক প্রচলন। কিন্তু এই শুঁটকি কতটুকু স্বাস্থ্যকর ? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো অনেকেরই অজানা ।
মাংসের শুঁটকি রোদে রেখে করার কারণে এতে পানির পরিমাণ কমে শুষ্ক হয়ে যায়। এতে এর মধ্যে পুষ্টি উপাদানের অনেক পরিবর্তন হয়। অনেক পুষ্টির অপচয় হয়। সঠিক তাপমাত্রায় শুঁটকি করতে না পারলে সেই শুঁটকি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ হয়। আবার বাহিরেররের খোলা জায়গায় এই শুঁটকি করার কারণে এতে পোকা বা যেকোনো জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এটিও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
গরুর শুঁটকি রান্নার পর তাতে লবণের মাত্রা বেড়ে যায়। কারণ, গরুর শুঁটকিতে প্রচুর সোডিয়াম থাকে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এজন্য সঠিক তাপমাত্রায় শুঁটকি না করতে পারলে তাতে অনেক জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে।
তাই শুঁটকি নয় ফ্রেস মাংস উপভোগ করুন অথবা সঠিক পদ্ধতিতে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। আর যদি শুঁটকি করতেই হয় তাহলে সঠিক তাপমাত্রা ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করা করুন। স্বাস্থ সচেতনতার কথা মাথায় রেখেই রান্নার রেসিপি তৈরি করুন। উৎযাপন করুন আনন্দময় ঈদ, আর সুস্থতার সঙ্গে থাকুন ভালো।
এএইচ





