বর্তমানে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস একটি মহামাররি আকার ধারণ করেছে। ভারতে চলতি বছর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে প্রায় ১৩০০ জন। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজার।

অথচ পরীক্ষা ছাড়াই দেশটির বিভিন্ন প্রদেশ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে বাংলাদেশে আসছেন শত শত ট্রাক চালক, তাদের সহযোগী এবং পাসপোর্ট যাত্রীরা। এতে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বেনাপোলের সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার বিভিন্নসূত্রে জানা গেছে, বন্দরে একজন মাত্র মেডিকেল সহকারিকে দিয়েই চলছে যাত্রীদের পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজ। রোগ নির্ণয়ের যন্ত্র থার্মাল স্ক্যানারও তেমন ব্যবহার হচ্ছে না। মূলত নামকা ওয়াস্তে চলছে সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে তদারকি। এতে হতাশায় বন্দও সংশ্লিষ্ট সাধারন মানুষ।

কর্তৃপক্ষ সোয়ান ফ্লু প্রতিরোধে সতর্ক থাকার নিদের্শ দিয়েছেন বলে জানান মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. জ্যোতিশ চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, ‘আমারা আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করছি।’

জানা গেছে, নির্দেশনার প্রায় এক সপ্তাহ পর বন্দরে মেডিকেল টিম কাজ শুরু করেছে। আজও (বৃহস্পতিবার) মেডিক্যাল টিমের দায়িত্বে ডাক্তারদের পরিবর্তে রয়েছে আয়ুব হোসেন নামে এক পিওন।

তবে এ কথা মানতে নারাজ শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেন, সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস সনাক্তের কাজ করছে মেডিক্যাল টিম। এছাড়া থার্মাল স্ক্যানারটিতে কারিগরি যে সমস্যা দেখা দিয়েছিল তারও সমাধান হয়েছে।

এদিকে কলকাতা থেকে পন্যবাহি ট্রাক নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসা ট্রাক চালক জোগেশ দত্ত বলেন, কোনরকম পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই আমারা বাংলাদেশে এসেছি। একই কথা বলেন ভারতের হাওড়া থেকে বাংলাদেশে আসা পাসপোর্ট যাত্রী উত্তম কুমার ঘোষ।

বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ওসি আসলাম খান বলেন, সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে বেনাপোল বন্দরে একটি মেডিকেল টিম কাজ করলেও যাত্রীর তুলনায় টিমের সদস্য সংখ্যা কম। মেডিক্যাল টিমের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলে সব যাত্রী, ট্রাকের য্রাইভার ও হেলপারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা সম্ভব।

এমকে