আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মশা মাছি দূরে রাখি: রোগ বালাই মুক্ত থাকি’। এ দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউটিও) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য দিবসে জাতীয় পর্যায়ে সেমিনার, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, "বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১৪’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।"
তিনি বলেন, "জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সে লক্ষ্যে সরকার স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে জনগণের গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে এবং সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মশা মাছি বাহিত রোগ নির্মূল করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।"
রাষ্ট্রপতি বলেন, "আমি জানতে পেরেছি, মশা মাছির মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রামিত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া এবং কালাজ্বর উল্লেখযোগ্য হারে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জনগণের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হতে মশা মাছি বাহিত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি। আমি ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।"
অপর এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘মশা মাছি দূরে রাখি: রোগবালাই মুক্ত থাকি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।"
তিনি বলেন, "সারা বিশ্বে বর্তমানে শতকরা ১৭ ভাগ সংক্রামক রোগই বাহক বাহিত। ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ দূষণের কু-প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এ সব বাহক বাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায়।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "অবস্থান ও পরিবেশগত কারণে বাংলাদেশ ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুজ্বর, ফাইলেরিয়া, কালাজ্বর ইত্যাদি অতি পরিচিত বাহক বাহিত রোগ বিস্তারের ক্ষেত্রে অনুকূল একটি দেশ। এ সব রোগ প্রতিরোধে পরিকল্পিত ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।"
দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
শেখ হাসিনা তার বাণীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়, ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। এইদিন 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' বলে নির্ধারিত হয়।
[b]ঢাকা, ০৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]
স্বাস্থ্য
‘মশা মাছি দূরে রাখি: রোগ বালাই মুক্ত থাকি’
আজ ৭ এপ্রিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মশা মাছি দূরে রাখি: রোগ বালাই মুক্ত থাকি’। এ দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউটিও) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।





