বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)’র নতুন রেজিস্ট্রারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ও ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম।

আজ শনিবার জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সেকশন অফিসার প্রশান্ত কুমার মজুমদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়; বিএসএমএমইউ’র নতুন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম ১৯৫৯ সালের ৩০ জুন খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মকছেদ আলী খান এবং মাতার নাম মোছাঃ রোমেলা বেগম।

অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম ১৯৮৬ সালে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিএসএমএমইউ থেকে ১৯৯৮ সালে উচ্চতর ডিগ্রি ডিবিএসএন্ডটি অর্জন করেন।

অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম কর্মজীবন শুরু করেন চট্রগ্রামের কামারখাল ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে । এরপর কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে রোগীদের চিকিৎসা সেবার মহান পেশায় যুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে মেডিক্যাল অফিসার, সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। তিনি বিভাগে ২০১৩ সালের ৩০ জুন ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন।

অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষকতার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার-এর দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইতোমধ্যে দেশ বিদেশের চিকিৎসা বিষয়ক বিভিন্ন জার্নালে তার ৫০টির মতো গবেষণা ও চিকিৎসা বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রবন্ধ, নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশে রক্ত পরিসঞ্চালন সার্ভিসের উন্নয়নের জন্য নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন কর্মসূচি, নিরাপদ রক্ত আইন প্রণয়ন ২০০২, নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন বিধিমালা ২০০৮, ন্যাশনাল ব্লাড পলিসি ও ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অব ব্লাড ট্রান্সফিউশনসহ অন্যান্য কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

তার অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশে ব্লাড টান্সফিশন সোসাইটি অব বাংলাদেশ (বিটিএসবি)-এর কার্যক্রম শুরু হয় এবং বর্তমানে তিনি বিটিএসবি-এর সহ-সভাপতি। তিনি ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব ব্লাড ট্রান্সফিউশন (আই.এস.বি.টি)-এর সক্রিয় সদস্য।

তিনি ন্যাশনাল সেইফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন এক্সপার্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান এসোসিয়েশন অব ট্রান্সফিউশন মেডিসিন (এএটিএম)-এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারির দায়িত্বে রয়েছে।

পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানের জনক। মেয়ে এমবিবিএস ডাক্তার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় কর্মরত। ছেলে এমবিবিএস (৪র্থ বর্ষে) অধ্যয়নরত। জামাতা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে এম ডি (শিশু) রেসিডেন্সি কোর্সে অধ্যয়নরত।

একে/এসএইচ