দেশে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ২ কোটি মানুষই কিডনী রোগে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে সেভ লাইফ ফাউন্ডেশন ও গিফট লাইফ ফাউন্ডেশন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সেভ লাইফ ফাউন্ডেশন ও গিফট লাইফ ফাউন্ডেশন। আগামী ১২মার্চ বিশ্ব কিডনী দিবস উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠন দু’টি।
সংগঠনের উপদেষ্টা ও জাতীয় অধ্যাপক ড. এম আর খান বলেন, কিডনি রোগ নীরব ঘাতক হওয়ায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় সম্ভব হয় না।
তিনি বলেন,যখন রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসে তখন কিডনী প্রতিস্থাপন অথবা ডায়ালাইসিস ছাড়া উপায় থাকে না। এক্ষেত্রে কিডনী প্রতিস্থাপন অনেক ব্যয়বহুল এবং দুঃস্প্রাপ্য।’
একজন মানুষের কখনোই ৬ চামচের বেশি চিনি এবং লবণ ৫ চামচের বেশি খাওয়া উচিৎ নয় বলেও পরামর্শ দেন তিনি।
কিডনী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি প্রফেসর হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘আমাদের দেশের কিডনী রোগীদের মাত্র ১০ শতাংশ কিডনী প্রতিস্থাপন এবং ডায়ালাইসিস করে বেঁচে থাকে। আর বাকি ৯০ শতাংশই মারা যায়। কারণ এর চিকিৎসা অনেক ব্যববহুল। এক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকেই আমাদের জোর দিতে হবে।’
কিডনী ফাউন্ডেশন, সেভ লাইফ ফাউন্ডেশন ও গিফট লাইফ ফাউন্ডেশনের মতো আরও অনেক অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠলে রোগীরা উপকৃত হবে বলেও জানান তিনি।
কিডনী রোগ প্রতিরোধে করনীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছোট শিশুদের ফাস্ট ফুড এবং কোমল পানীয়ের যেন ঝোক না হয় সেদিকে বাবা-মাকে খেয়াল রাখতে হবে।
এমআর খান বলেন, কিশোর বয়সে যেন কিশোর ধূমপানে দিকে ঝুঁকে না পড়ে। সেই সময় তাদের পড়াশোনার পাশা-পাশি খেলাধূলার উপরেও জোর দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ৪০ বছর পার হলে তখন কিডনী সুস্থ আছে কিনা পরীক্ষা করানো এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠন দুটির আহ্বায়ক ডা. সহেলী আহমেদ সুইটি, ডা. শামীম আহমেদ, প্রফেসর ডা. সামাদ প্রমুখ।
এমএ/ইআর





