তিন বছরের মাথায় নারিকেলের গাছের উচ্চতা হবে দুই থেকে আড়াই ফুট। বছরে তিন থেকে চারবার গাছে ফুল আসবে। প্রতিবার নারিকেল ধরবে দুই থেকে আড়াইশটি। একটি গাছ বাঁচবে ২০ থেকে ২৫ বছর।

ভারতের কেরালা রাজ্যে এ উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড নারিকেলের চাষ দীর্ঘদিন ধরে হচ্ছে। এমনই ‘দোয়ার্ফ হাইব্রিড নারিকেল’র চারা দেশের চাষিদের হাতে তুলে দিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

চলতি বছরের জুন মাস থেকেই দোয়ার হাইব্রিড নারিকেল চারা রোপন করতে পারবেন চাষিরা। প্রতিটি চারার দাম পড়বে ৮শ টাকা। চাষিরা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হর্টিকালচার ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের অফিস থেকে এ চারা কিনতে পারবেন। তবে এসব গাছের নারিকেল দিয়ে নতুন চারা তৈরি করা যাবে না।

বেসরকারী ভাবে ও কিছু প্রতিষ্ঠান দোয়ার্ফ নারিকেল চারা আমদানী শুরু করেছে যদিও তারা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে । দোয়ার্ফ হাইব্রিড নারিকেল বাংলাদেশের আবহাওয়ার সঙ্গে যদিখাপ খায় তাহলে নারিকেল চাষে একটা বিপ্লব ঘটবে আমাদের দেশে। আর সেই অপেক্ষায় রইলাম আমরা।

ইআর