বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে জিও নিউজ।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় চার মাস আগেই ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি আরও সুসংগঠিত করা এবং হজযাত্রীদের সার্বিক সেবা নিশ্চিত করাই লক্ষ্য। এ উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে।
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবার শতভাগ চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কায় অবস্থিত সব আবাসনসংক্রান্ত চুক্তিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার হজযাত্রী নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে মোট ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৭৩টি হজ-সম্পর্কিত দপ্তর তাদের প্রাথমিক চুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
এদিকে বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনকারী সব হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত টিকা গ্রহণ শেষে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
এ প্রেক্ষিতে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব হজযাত্রীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকা গ্রহণ ও ভিসা আবেদন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রীকে হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। এছাড়া হজ ফ্লাইট চলতি বছর শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ এপ্রিল।
এনএইচ