ইরাকের দুটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় অন্তত ৮০ মার্কিন সেনা নিহত ও আহত হয়েছে অন্তত ২০০ জন।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বরাত দিয়ে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই তথ্য জানিয়েছে। তবে ইরানের হামলায় হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারেনি মার্কিন সেনাবাহিনী।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও হেলিকপ্টার ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ইরাকে মার্কিনিদের আরবিল ও আল-আসাদ বিমানঘাঁটিতে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। হামলাকালে কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই বাধার সম্মুখীন হয়নি। ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপকভাবে মার্কিন হেলিকপ্টার ও সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আরও জানায়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র যদি পাল্টা হামলা চালায়, তবে তার জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিনিদের আরও ১০০টি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা হয়েছে।
বুধবার মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, এই অঞ্চলে কোনো ধরনের যুদ্ধ কিংবা উত্তেজনা চায় না তেহরান। আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত ০৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিসহ ১০ জওয়ান ও কমান্ডার নিহত হন। এই ঘটনার জেরে তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।
এমবি





