ইমরান খানের স্ত্রী রিহাম খান সম্প্রতি রাজনীতিতে তার ভূমিকা নিয়ে নানা সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। এবারে তার সাবেক স্বামী ড. ইজাজ রেহমান, রিহাম খানকে এক হাত নিলেন।
ডেইলি মেইলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজাজ বলেছেন, রিহাম নিজের ভাবমূর্তি শুদ্ধ করতে তাকে টয়লেট পেপারের মতো ব্যবহার করেছে।
তেহরিকে ইনসাফের কর্ণধার এবং ক্রিকেটের জীবন্ত কিংবদন্তি ইমরান খানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পরপরই সাবেক স্বামীর সঙ্গে বাকযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন রিহাম। ইজাজ রেহমানের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ইজাজ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। রিহাম তার অবস্থান ধরে রেখেছেন। আর ইজাজ রেহমান তার সুনাম ক্ষুণ্নকরার অভিযোগে রিহামের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ডেইলি মেইলকে ইজাজ বলেন, এ ধরনের অভিযোগ উঠিয়ে নীতিহীনতার পরিচয় দিয়েছে রিহাম। আমি কখনও তার ওপর হাত উঠাইনি। আমাদের বিবাহিত জীবনে বিভিন্ন সময় তার উন্মত্ত উস্কানিতেও কখনও এমন কিছু করিনি।
মানুষের করুণা পাওয়ার জন্য সে আমার সুনাম নষ্ট করছে। ইজাজ রহমান আরও বলেন, আমাদের সংস্কৃতিতে তিন সন্তানের কোন মায়ের তার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়যদি না তার কোন যথার্থ কারণ থাকে।
এ কারণেই সে আমাকে নিয়ে কল্পনাপ্রসূত গল্প বানিয়েছে যে, আমি একজন খারাপ স্বামী আর বাজে পিতা ছিলাম। রিহাম আরও অভিযোগ করেছিলেন যে, ইজাজ রেহমান তার সন্তানদের আর্থিক ব্যয় দেয় নি। এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, এনএইচএস-এ আমার পদমর্যাদায় কর্মরত একজন কিভাবে এমন কিছু করে পার পেতে পারে। আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের পর আমি চাইল্ড সাপোর্ট এজেন্সিতে (সিএসএ) আমার ৬০০০ পাউন্ড মাসিক বেতনের ২৫ শতাংশ দিয়েছি।
সে দেশ ছেড়ে পাকিস্তান গিয়ে স্থায়ী হওয়ার পরও আমার কাছ থেকে চাইল্ড বেনিফিট ও সিএসএস অনুদান দাবি করতে থাকে।
ইজাজ বলেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে যে, আমি ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমার সকল সন্তানের খরচ বহন করেছি। এমনকি এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করার কথাও বলেন ইজাজ রেহমান। রেহাম ও ইজাজ ১৫ বছর ধরে বিবাহিত ছিলেন। ২০০৬ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।
এসএইচ





