পাকিস্তানের ড্রোন-বিরোধী একজন আন্দোলনকারীকে খুঁজে বের করতে দেশটির সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে লাহোর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রাওয়ালপিন্ডি বেঞ্চ বুধবার এক রায়ে এ নির্দেশ দিয়েছে।
২০০৯ সালে নিজের এক ভাই ও কিশোর ছেলে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর এ ধরনের হামলা বন্ধের জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলেন করিম খান। পাকিস্তানে ড্রোন হামলার ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে আর মাত্র কয়েকদিন পর ইউরোপীয় পার্লামেন্টে তার বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে রাওয়ালপিন্ডির নিজ বাসভবন থেকে তাকে পুলিশের পোশাক পরিহিত একদল ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায়।
করিম খানের আইনজীবীরা দাবি করছেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা বিভাগ তাকে তুলে নিয়ে গেছে। পুলিশ অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। লাহোর হাইকোর্ট আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে।
করিম খানের আইনজীবী শাহজাদ আকবর জানিয়েছেন, সরকারের মাধ্যমে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে করিম খানের গুম হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তথ্য জানতে চেয়েছে আদালত। এ ছাড়া, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাকে খুঁজে বের করে ওইদিন তাকে আদালতে হাজির করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কিন্তু পুলিশ আদালতকে দেয়া এক প্রতিবেদনে বলেছে, যারা করিম খানকে ধরে নিয়ে গেছে তারা ইউনিফর্ম পরা থাকলেও তারা আসলে পুলিশের লোক ছিল না। শাহজাদ আকবর অবশ্য এ ব্যাপারে আশাবাদী নন যে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার মক্কেলকে আদালতে হাজির করতে পারবে।
এর আগে মঙ্গলবার করিম খানের গুম হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটি বলেছিল, করিম খান যাতে পাকিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলার ভয়াবহতা সম্পর্কে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সাক্ষ্য দিতে না পারেন সে লক্ষ্যে তাকে গুম করা হয়ে থাকতে পারে।
সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের নামে ২০০৮ সাল থেকে পাকিস্তানে পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। এ ধরনের হামলায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক।
ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই
আন্তর্জাতিক
ড্রোন-বিরোধী আন্দোলনকারীকে খুঁজে বের করতে আদালতের নির্দেশ
পাকিস্তানের ড্রোন-বিরোধী একজন আন্দোলনকারীকে খুঁজে বের করতে দেশটির সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে লাহোর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রাওয়ালপিন্ডি বেঞ্চ বুধবার এক রায়ে এ নির্দেশ দিয়েছে। ২০০৯ সালে নিজের এক ভাই ও কিশোর ছেলে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হওয়ার পর এ ধরনের হামলা বন্ধের জন্য আন্দোলন শুরু





