গতকাল পৃথক আরেকটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গ্রুপ-ডিসিশন ডেস্ক হেডকোয়ার্টার ঘোষণা করে যে, জো বাইডেন হবু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

পেনসিলভানিয়ায় বাইডেন নির্বাচিত হয়ে গেছেন, এমন পূর্বাভাস ধরে নিয়ে তারা এই ঘোষণা দিয়েছে।

সুতরাং যেসব গণমাধ্যম তাদের তথ্য ব্যবহার করেছে- যেমন ভক্স এবং বিজনেস ইনসাইডার- তারা এই তথ্য প্রচার করেছে।

অন্যদিকে, অ্যারিজোনায় জো বাইডেন জয় পেয়েছেন, এমন পূর্বাভাস প্রচার করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এবং ফক্স নিউজ। যার ফলে তাদের হিসাবে বাইডেনের মোট ইলেকটোরাল ভোট দাঁড়ায় ২৬৪টি।

তবে অ্যারিজোনা বা পেনসিলভানিয়ায় জো বাইডেনের জয়ের ব্যাপারে এখনো পূর্বাভাস দেয়নি বিবিসি, কারণ সেটা এখনো আগাম বলা হয়ে যাবে।

ফলে বিবিসির হিসাবে জো বাইডেনের এখন পর্যন্ত পাওয়া ইলেকটোরাল ভোট ২৫৩টি আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২১৪টি।

বিবিসির নির্বাচনী তথ্য কীভাবে আর কোথা থেকে আসছে?

বিভিন্ন গণমাধ্যম আলাদা আলাদা উৎস থেকে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে একেকটি ওয়েবসাইটে একেক ধরনের তথ্য-উপাত্ত দেখা যাচ্ছে- যা অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে।

বিবিসি সকল তথ্য-উপাত্ত পাচ্ছে রয়টার্সের কাছ থেকে, যা আসছে নির্বাচন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এডিসন রিসার্চ ফার্ম থেকে- যারা মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের বুথ ফেরত জরিপ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইলেকশন পুলে মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করছে।

ট্রাম্পের আইনি যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি
মি বাইডেনের বিজয়ের খবর জানাজানি হবার পর রাজধানীওয়াশিংটন ডিসির বিএলএম প্লাজায় উল্লসিত লোকজন ‘ঈশ্বরকে প্রশংসা, ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদায় নিয়েছেন” বলে গান গাইতে দেখা গেছে।

সিএনএন জানাচ্ছে, জো বাইডেনের বিজয়ের খবর প্রকাশের কয়েক মুহূর্ত পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন, “বাইডেন মিথ্যে জয়ের ভাব ধরার জন্য তাড়াহুড়ো করছেন”, এবং “ভোটযুদ্ধ এখনো শেষ হবার অনেক বাকি।”

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের আইনি যুদ্ধ সোমবার থেকে শুরু হবে। তথ্য সূত্র- বিবিসি

এমবি