নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছেন জিম্বাবুয়ের সদ্য শপথ নেয়া প্রেসিডেন্ট এমারসন মনাঙ্গাগওয়া। মন্ত্রিপরিষদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে উচ্চ-পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে।

গত সপ্তাহে সাবেক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের পদত্যাগের পর জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মনাঙ্গাগওয়া। এর আগে তিনি দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

কিন্তু সম্প্রতি সামরিক বাহিনীর এক অভ্যুত্থানের পর ৩৭ বছর ধরে একটানা দেশ শাসন করা মুগাবে পদত্যাগে বাধ্য হন। আর সামরিক বাহিনীর সহায়তায় প্রেসিডেন্টের গদিতে এখন মনাঙ্গাগওয়া।

ক্ষমতায় আসার পর এক নতুন যুগ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মনাঙ্গাগওয়া। কিন্তু শুরুতেই তার নতুন মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে সমালোচনার শিকার হচ্ছেন তিনি। দু’জন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মন্ত্রিপরিষদের দুটি শীর্ষ পদ দখল করে থাকায় তার সিদ্ধান্তের সমালোচনা
করছেন অনেকে।

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মেজর জেনারেল সিবুসিসো ময়ো‘কে। উল্লেখ্য, ময়ো হচ্ছেন সেনাবাহিনীর একজন জেনারেল যিনি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের পর জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্র পরিচালিত টিভিতে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

ময়োর পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদে জায়গা করে নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিমানবাহিনীর প্রধান পেরেন্স শিরি। তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নতুন কৃষি ও ভূমি বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে। সাম্প্রতিক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পরিচিতি ঘটেছে মেজর জেনারেল সিবুসিসো ময়ো’র।

বর্তমানে তিনি দেশটির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর তার একটি পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। এক সময় তিনি সামরিক বাহিনীর এলিট গ্রীন বেরেটস স্কোয়াডের নেতা ছিলেন।

অন্যদিকে, বিমানবাহিনীর প্রধান পেরেন্স সিরির বিরুদ্ধে রয়েছে ১৯৮০ সালে জিম্বাবুয়ের নিরীহ জনগণকে গণহত্যা করার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ।
জেড