বাইক এখন তরুণ-তরুণীদের জন্য আকর্সণীয় বাহন। বাইকে উঠলে চোখের পলকেই যেন হা্ওয়া। তরুণ-তরুণীদের জন্য বাইক একটি ফ্যাশনেরই অংশ।

এছাড়া্ও বইক সারা পৃথিবীতে জনপ্রিয় একটি বহন। এই বাইক চালকদের বড় একটি অংশ তরুণ-তরুণী হওয়ায় হেলমেট পরার প্রচলন তেমন একটা দেখা যায় না।

যার কারনে নিত্যদিনই সড়ক দূর্ঘটনার প্রবনতা দিন-দিন বেড়েই চলছে। তাইতো ভারতে কেরালা ট্রান্সপোর্ট কমিশনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাইক চালক ও তার আরোহিকেও হেলমেট পরতে হবে। দুর্ঘটনা রুখতে এটাই ‘দাওয়াই’

যিনি বাইক চালাচ্ছেন, তাঁকে তো হেলমেট পরতে হবেই। তাঁর বাইকে থাকা অন্য আরোহীদের মাথাতেও থাকতে হবে হেলমেট। তা না হলে পথে কোনও পেট্রোল পাম্পে গিয়ে আর পেট্রোল মিলবে না। সঙ্গে গুনতে হবে মোটা জরিমানাও।

পথ দুর্ঘটনা রুখতে এটাই ‘দাওয়াই’ কেরলের পরিবহণ দফতরের। ১ অগস্ট থেকে প্রাথমিক ভাবে এই নিয়ম চালু হচ্ছে কেরলের তিনটি জায়গায়। তিরুঅনন্তপুরম, কোচি এবং কোঝিকোরে। ধাপে ধাপে তা গোটা কেরালাই চালু হবে।


কেরালার পুলিশের তথ্য মতে, রাজ্যে পথ দুর্ঘটনায় মৃতের ৫০ শতাংশই হলেন মোটরবাইক চালক বা আরোহী।

যাঁদের ৮০ শতাংশ মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। শুধু ২০১৫ সালেই ১৪,৪৮২টি বাইক-দুর্ঘটনা ঘটেছে কেরলে। মারা গিয়েছেন ১,৩৩০ জন। হেলমেট ব্যবহার করলে এই মৃত্যু অনেকটাই ঠেকানো যেত বলে পুলিশের অনুমান।

কেরলের ট্রান্সপোর্ট কমিশনার টমিন জে থ্যাচাঙ্কারি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই পেট্রোল পাম্পগুলির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

বলে দেওয়া হয়েছে, বাইকচালক বা আরোহীরা হেলমেট পরে না থাকলে, তাঁদের কোনও ভাবেই পেট্রোল ভরতে দেওয়া যাবে না। ধরা পড়লে ট্রাইফ আইন মেনে মোটা অঙ্কের জরিমানাও দিতে হবে তাঁদের।

এসএম