প্রবল বিক্ষোভে লাগাতার তৃতীয় দিনেও পণ্ড হওয়ার পথে ভারতের সংসদের অধিবেশন। বৃহস্পতিবার লোকসভার অধিবেশন শুরুর পরই, হই-হট্টগোলে তা মুলতবি করে দিতে বাধ্য হন স্পিকার। একই ছবি রাজ্যসভাতেও।
সংসদে সরকারকে আরও চাপে ফেলতে বিরোধী জোট শক্তিশালী করার কাজে নেমে পড়েছে কংগ্রেস। তবে ধোঁয়াশা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে। সংসদের দুই কক্ষে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোলের মধ্যেও, সেভাবে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তৃণমূল সাংসদদের।
বিরোধীরা অনড়। ব্যাকফুটে সরকার। বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও অচল সংসদ। কিন্তু এবারই প্রথম নয়। বিভিন্ন ইস্যুতে ইউপিএ আমলে সংসদ অচল হয়েছিল বারবার।
ক্ষমতায় এখন এনডিএ। কিন্তু সংসদে অচলাবস্থার সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে। যাই করুক বিরোধীরা, কারওর ইস্তফার প্রশ্ন নেই। সংসদে আজ আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে একথা জানিয়ে দিল সরকার পক্ষ।
কথায় কথায় স্লোগান, বিক্ষোভ এবং শেষ মেশ অধিবেশনই ভণ্ডুল। ইতিহাস সাক্ষী, গত দশ বছরেই সম্ভবত সংসদে এমন অচলাবস্থার ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।
২০১০ সালের কথা। বর্ষপূর্তির মুখে ইউপিএ সরকার। বাজেট অধিবেশনে আচমকাই টালমাটাল সংসদ। মহারাষ্ট্রের আদর্শ আবাসন কেলেঙ্কারি নিয়ে বিতর্কের ঝড় আছড়ে পড়ল সংসদে।
বাজেট অধিবেশনে লোকসভা চলার কথা ছিল ১৩৮ ঘণ্টা। অধিবেশন চালু ছিল মেরেকেটে ৭০ ঘণ্টা।
টুজি কাণ্ডে অভিযুক্ত মন্ত্রী এ রাজার পদত্যাগের দাবিতে কার্যত অচল হয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। মূলত বিজেপির বিক্ষোভেই টানা ১২৫ ঘণ্টা অচল ছিল সংসদ। সূত্র:জিনিউজ।
জেডআই





