ভারতে নিষিদ্ধ হওয়া মুসলিম ছাত্র সংগঠন 'স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়ার (সিমি) ৮ ছাত্রনেতা এনকাউন্টারে নিহত হওয়ার ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়।
আজ বুধবার টুইটারে ভোপাল এনকাউন্টারের বিষয়ে মন্তব্য করেন মমতা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এসব করানো হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা দেশের অখণ্ডতা ও ঐক্যের ব্যাপারে আমাকে গভীরভাবে চিন্তিত করছে।”
এনকাউন্টারের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, “তথাকথিত এনকাউন্টারের দাবি আমরা মানছি না। এই ঘটনা নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।”
এর আগে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপাল হাইসিকিউরিটি কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, রোববার রাত ২টার দিকে এক নিরাপত্তারক্ষীকে গলাকেটে পালিয়ে যায় আট ছাত্র নেতা।
এর আট ঘণ্টা পর সোমবার সকালে ভোপাল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে এন্তেখেড়ি গ্রামের কাছে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম গ্রুপের (সিটিজি) এনকাউন্টারে তারা মারা যান।
তারা হলেন মেহবুব গুড্ডু ওরফে মল্লিক, মোহাম্মদ খালিদ আহমাদ, আমজাদ খান, মুজিব শেখ, মোহাম্মদ আকিল খিলজি, জাকির হোসেন সাদিক, মোহাম্মদ সালিক সাল্লু এবং আবদুল মজিদ।
তবে এই এনকাউন্টারকে অসত্য দাবি করে সরব হন ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং অ্যাক্টিভিস্টরা।
এনকাউন্টার নিয়ে কংগ্রেস, সিপিএমসহ বিরোধী দলগুলো সরব হলেও তৃণমূল কংগ্রেস নীরব ছিল। এ নিয়ে দলটির মুসলিম নেতারা প্রকাশ্যে বিবৃতির দাবি জানান। এরপর টুইট করে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।
এমবি





