স্পেনে ইবোলায় আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তি তেরেসা রোমেরো এখন ইবোলামুক্ত বলে জানিয়েছে স্পেনের সরকার।
তবে, তিনি পুরোপুরি ইবোলামুক্ত কিনা সেটি নিশ্চিত হবার জন্য দ্বিতীয় আরেকটি পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
অক্টোবর মাসের শুরুতে, মাদ্রিদের একটি হাসপাতালে ইবোলা আক্রান্ত দুইজন পাদ্রীকে সেবা দেবার পর, তেরেসা রোমেরো নামের চুয়াল্লিশ বছর বয়সী ঐ সেবিকা অসুস্থ হয়ে পড়েন।পরে তার শরীরে ইবোলার জীবাণু পাওয়া যায়।
স্প্যানিশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইবোলা রোগ থেকে সেরে উঠেছেন এমন রোগীদের রক্তের জলীয় উপাদান থেকে তৈরী করা প্রতিষেধক এবং অন্যান্য ঔষধের মাধ্যমে ঐ সেবিকাকে সারিয়ে তোলা হয়েছে।
মিস রোমেরো ইবোলা আক্রান্ত হবার পর তার স্বামীকে তার কাছ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে ফেলা হয়।
তার স্বামী হ্যাভিয়ের লিমন বলছেন, "স্ত্রীর সেরে ওঠার খবরে তিনি খুবই আনন্দিত ও খুশি। হাসপাতালে এতদিন ধরে স্বেচ্ছায় বন্দিত্ব গ্রহণ করে, আমি তার রোগমুক্তির জন্য অপেক্ষা করেছি।"
কিন্তু মি. লিমন অভিযোগ করে বলেন "দেশটির সরকার ইবোলা চিকিৎসায় অদক্ষ।"
এদিকে, বার্লিনে শুরু হওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে, জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইবোলা মোকাবেলায় বৃহত্তর বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন পশ্চিম আফ্রিকায় এ রোগে আক্রান্তদের সারিয়ে তুলতে বহু সংখ্যক দক্ষ চিকিৎসক এবং প্রচুর চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রয়োজন হবে, সেসব যোগান দিতে উন্নত বিশ্বকেই এগিয়ে আসতে হবে।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন, ইবোলা প্রতিরোধে এখনো কাঙ্ক্ষিত তহবিল জোগাড় না হওয়ায়, শুক্রবার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে আবারো জরুরি তহবিল আহ্বান করেছেন।
সংস্থাটির আবেদন জানানো একশ কোটি ডলারের মধ্যে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের তহবিলে জমা পড়েছে মাত্র এক লাখ ডলার।সূএ : বিবিসি বাংলা
ইআর





