[b]ওয়াশিংটন:[/b] সিরিয়া বিষয়ক 'জেনেভা-২' সম্মেলনে ইরানকে আমন্ত্রণ জানিয়েও চাপের মুখে পরে তা প্রত্যাহার করে জাতিসংঘ। তবে এর কোনো প্রভাব দেশটির পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর পড়বে না বলে জানিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন।
ম্যারি হার্ফ জানান, আমেরিকাসহ ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির বাস্তবায়ন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সিরিয়া বিষয়ক জেনেভা-২ সম্মেলন সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন 'জেনেভা-২' সম্মেলনে ইরানকে আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু এরপর আমেরিকা,ব্রিটেন ও সৌদি আরবের মতো কিছু দেশের প্রচণ্ড চাপের কারণে একদিন পর সে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেন বান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বান কি মুনের এ পদক্ষেপকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন। একজন ইরানি কর্মকর্তা বান কি মুনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কর্মচারি হিসেবে অভিহিত করেন।
ম্যারি হার্ফ এ ঘটনাকে ‘চরম ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন,“আমাদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার এবং আমার মনে হয় ইরানিদের কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার যে,এ দু’টি (পরমাণু চুক্তি ও সিরিয়া সম্মেলন) সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আমার মনে হয় আমাদের মতো ইরানও দু’টি বিষয়কে আলাদা আলাদাভাবেই দেখবে।”
ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পাশ্চাত্যের সৃষ্ট সংকট নিরসনের লক্ষ্যে গত নভেম্বর জাতিসংঘের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরান একটি চুক্তি করে। গত ২০ জানুয়ারি থেকে ওই চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু করেছে দু’পক্ষ। কিন্তু সিরিয়া নিয়ে পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের মতবিরোধের ফলে সে চুক্তির বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে কি না,সে বিষয়টি স্পষ্ট করলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র। সূত্র: আইআরআইবি
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ
জেনেভা সম্মেলন পরমাণু চুক্তিকে প্রভাবিত করবে না: আমেরিকা
ওয়াশিংটন: সিরিয়া বিষয়ক 'জেনেভা-২' সম্মেলনে ইরানকে আমন্ত্রণ জানিয়েও চাপের মুখে পরে তা প্রত্যাহার করে জাতিসংঘ। তবে এর কোনো প্রভাব দেশটির পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের ওপর পড়বে না বলে জানিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বৃহস্পতিবার এ কথা বলেছেন।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















