রাশিয়ার সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস ট্রিটি (আইএনএফ) চুক্তির প্রতি আজ (শনিবার) থেকে আর অনুগত থাকবে না আমেরিকা।

এছাড়া, রাশিয়া যদি এই চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত রাখে তাহলে আগামী ৬ মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেবে ওয়াশিংটন।

গতকাল (০১ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও একথা বলেছেন।

পম্পেও বলেন, চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে রাশিয়াকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেবে মার্কিন প্রশাসন; মস্কো এই চুক্তির প্রতি অনুগত না হলে তা বাতিল করা হবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিৃবতিতে বলেছেন, “কোনো শাস্তি ছাড়াই গোপনে রাশিয়া দীর্ঘদিন থেকে এই চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে যা আমাদের মিত্র ও বিদেশে অবস্থানরত সেনাদের জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে।”

মার্কিন অভিযোগের জবাবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা রুশ গণমাধ্যমকে বলেছেন, “রাশিয়ার অপরাধের কারণে আমেরিকা এই চুক্তি থেকে সরে যাচ্ছে না বরং তাদের কৌশলের আওতায় তারা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ন্যাটো সামরিক জোট বলেছে, আমেরিকা রাশিয়ার যেসব ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে এবং চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে মস্কো যদি সেসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয় তাহলে এই চুক্তি বাতিলের সম্পূর্ণ দায়ভার মস্কোকে বহন করতে হবে। 

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও রাশিয়ার নেতা মিখাইল গর্বাচেভ আইএনএফ চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তির আওতায় পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ৫০০ কিলোমিটার থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পাল্লার সব ধরনের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধ করা হয়।  

এমবি