মার্কিন নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে হুঁশিয়ারি(ওয়ার্নিং) জারি করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগে এটি ছিল সতর্কতা(অ্যালার্ট)। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটি তাদের নাগরিকদের জন্য এই সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে। [এবিসি নিউজ]
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র জন কিরবাই এ কথা জানান। এদিকে বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটেও সেই ভ্রমণ সতর্কতার মাত্রা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোনো দেশের ক্ষেত্রে ভ্রমণ সতর্কতা (ট্র্যাভেল অ্যালার্ট) জারি করার অর্থ হল, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের চলাফেরার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত ও সতর্ক থাকা। সাধারণত নির্বাচন, বিক্ষোভ, ধর্মঘট কিংবা বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে স্বল্প মেয়াদে এমন সতর্কতা জারি করা হয়।
আর ভ্রমণ হুঁশিয়ারি(ট্রাভেল ওয়ার্নিং) হচ্ছে সর্বোচ্চ পর্যয়ের সতর্কতা। এই ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকরা সেই দেশে যাতায়াত করবে কি না তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে বলা হয়। সাধারণত, অস্থিতিশীল সরকার, গৃহযুদ্ধ, সহিংসতার ক্রমবৃদ্ধি অথবা অব্যাহত সন্ত্রাসী আক্রমণের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়।
বৃহস্পতিবারের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন নাগরিকদের বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতির সম্পর্কে অবহিত করেন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জন কিরবাই। তিনি বাংলাদেশে চলমান ‘উগ্রপন্থি সহিংসতার আশঙ্কার’ বিষয়ে সতর্ক করেন।
গত ১ জুলাই গুলশানের জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জন নিহত হওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় বৃহস্পতিবার ঈদের সকালে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় আবারও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ সতর্কতা বাড়িয়ে ভ্রমণ হুঁশিয়ারি জারি করা হয়েছে।
এমআইএস





