আরব জোটের অংশ হিসেবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিপক্ষে লড়াই করতে এক হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে কাতার।
সৌদি-ইয়েমেন সীমান্ত থেকে থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দু'শর বেশি যুদ্ধযান ও ৩০টি অ্যাপাচি জঙ্গি হেলিকপ্টারসহ সৈন্য পাঠানো হয়েছে।
সৈন্য বাহিনী এখন ইয়েমেনের মারিব প্রদেশের দিকে যাচ্ছে। সেখানে ইতোমধ্যে যুদ্ধরত থাকা সৌদি জোটের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবে তারা।
আল জাজিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনের যাওয়াফ প্রদেশের নিরাপত্তার জন্য আরো কাতারি সৈন্য মোতায়েন করা হতে পারে।
শুক্রবার ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের রকেট হামলায় আরব জোটের ৬০ জন সৈন্য নিহত হওয়ায় রোববার দেশটির রাজধানী সানায় অনবরত বোমা হামলা চালিয়েছে জোট বাহিনী। এই ঘটনার পর কাতারের সৈন্য মোতায়েন করা হয়।
শুক্রবারের হামলায় এ যাবৎকালে দেশটির সবচেয়ে বেশি ৪৫ জন সেনা সদস্য নিহত হওয়ায় অতি দ্রুত এর প্রতিশোধ নিতে অঙ্গীকার করেছে আরব আমিরাত।
আবুধাবির যুবরাজ শায়খ মোহাম্মদ বিন জায়েদ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, "আমাদের প্রতিশোধ নিতে দেরি হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইয়েমেনের ময়লা শোধণ করতে না পারব, ততক্ষণ সামনে এগিয়ে যাব।"
গত মার্চ থেকে শুরু হওয়া সৌদি- জোটের বিমান হামলার মধ্যে গত রোববার ছিল বেশি গোলবর্ষণের একটি দিন।
জোটের যুদ্ধবিমানগুলো রাজধানী সানার নাহদিয়ান ও ফাজি আতান পাহাড়ের ঘাঁটি, পার্শ্ববর্তী প্রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স ও বিশেষ বাহিনীর সদর দপ্তরে বোমা হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনে সংঘাতের ফলে কয়েক শত শিশুসহ সাড়ে চার হাজরেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে যে দেশটি এখন দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
গত রোববার ২৬০ জনেরও বেশি সাধারণ মানুষ এডেন থেকে সৌদি-জোটের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র জর্ডানে চিকিৎসার জন্য পাড়ি জমিয়েছেন।
জেডআই





