মালদ্বীপে ভারতের যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এমনটাই বার্তা দিল চীন। মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ নাশিদ সাহায্যের জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ার পরই এমন মন্তব্য করল চীন। চীনের দাবি, ভারত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে। খবর কোলকাতা২৪ এর।
মালদ্বীপের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে চীনের। দুই দেশের মধ্যে এফটিএ চুক্তিও হয়েছে। এ চুক্তির ফলে লাভবান হয়েছে দুই দেশই। তবে মালদ্বীপের সমস্যা নিয়ে মুখ খোলেনি চীনের মিডিয়া।
চীন তাদের মেরিটাইম সিল্ক রোড প্রজেক্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখে মালদ্বীপকে। তাই সে দেশে ভারতের আধিপত্য তৈরি হলে চীনের চিন্তার কারণ হবে।
এদিকে মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত ভারত৷ সেখানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানো হতে পারে মালদ্বীপে৷ সেজন্য সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত রেখেছে ভারত।
মালদ্বীপসংলগ্ন ভারত মহাসাগরে অবস্থানকারী যুদ্ধজাহাজও প্রস্তুত করা হয়েছে। ২০১৫ সালে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে কারাদণ্ড পাওয়া মুহাম্মদ নাশিদ ও বিরোধী দলের ১২ সাংসদকে গত বৃহস্পতিবার মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় মালদ্বীপ সুপ্রিমকোর্ট।
কিন্তু মালদ্বীপের বর্তমান সরকার বিরোধী নেতাদের মুক্তি দিতে চায়নি৷ বরং সোমবার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন জরুরি অবস্থা জারি করেন৷ এরপরেই সে দেশের প্রধান বিচারপতি আবদুল্লা সাইদ এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্দুল গাইয়ুমসহ শীর্ষস্থানীয় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়৷
পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে আকার নেয় এর জেরেই সুপ্রিমকোর্ট ও সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্বের শুরু৷ এরপরেই রাজধানী মালে শহরে সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ে৷ দেশটির পার্লামেন্ট ঘিরে রাখা হয়েছে৷
এমআর





