ব্রাসেলসে কেন সন্ত্রাসী বোমা হামলা চালানো হলো এক মুসলিম মহিলাকে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলেন ব্রিটেনের এক লোক। এ নিয়ে আবার টুইটারে পোস্টও দেন তিনি। বর্ণবিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে পুলিশ এখন তাকে গ্রেফতার করেছে।
ম্যাথিউ ডোয়েল তার টুইটে লেখেন, "আই কনফ্রন্টেড এ মুসলিম উওম্যান ইয়েসটারডে ইন ক্রয়ডন। আই আস্কড হার টু এক্সপ্লেইন ব্রাসেলস। শী সেড ‘নাথিং টু ডু উইথ মি’। এ মীলি মাউথড রিপ্লাই।” (আমি গতকাল ক্রয়ডনে এক মুসলিম মহিলার মুখোমুখি হয়েছিলাম। কেন ব্রাসেলসে হামলা করা হলো তার জবাব চেয়েছিলাম তার কাছে। সে বললো ব্রাসেলসে কি ঘটেছে তার সঙ্গে আমার কি সম্পর্ক। কি পাশ কাটানো উত্তর!)।
ম্যাথিউ ডোয়েল টুইটারে তার পরিচয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি জনসংযোগের কাজ করেন। ক্রিস্টাল প্যালেস ফুটবল দলের সমর্থক। এবং এলএসইর (লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্স)সাবেক শিক্ষার্থী।
মুসলিম মহিলাকে নিয়ে তার এই টুইটার পোষ্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশেরও নজরে আসে। তারা এখন ম্যাথিউ ডোয়েলের বিরুদ্ধে বর্ণ বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আগামীকাল তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে।
গত কয়েকদিনে ম্যাথিউ ডোয়েল টুইটারে এই পোষ্টের জের ধরে নানা রকমের ব্যঙ্গ বিদ্রুপের শিকার হয়েছেন।
তার টুইটের জবাবে অনেকেই তাকে বর্ণবাদী বলে গালমন্দ করেছেন।
কেউ কেউ মজাদার পোস্টও দিয়েছেন।
একজন লিখেছেন, “গতকাল আমি আমার মুরগীর মুখোমুখি হয়েছিলাম। তাদের বার্ড ফ্লু কেন হচ্ছে তার জবাব চেয়েছিলাম। তারা ক্লাক ক্লাক করে চলে গেল”।
আরেকজনের টুইট “ আমি গতকাল ক্রয়ডনে এক পিঙ্গুর মুখোমুখি হই। কেন জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে তার ব্যাখ্যা চাই। ‘মীপ’‘মীপ’ করে চলে গেল। কি পাশ কাটানো উত্তর!”
ম্যাথিউ ডোয়েল কিভাবে জনসংযোগের মত পেশায় কাজ করছেন সে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। জানতে চেয়েছেন, এখনো তার কোন ক্লায়েন্ট অবশিষ্ট আছে কিনা।-বিবিসি।
ওএফ
ওএফ





