পুলিশ হত্যার দায়ে ১৮৩ জন মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদন্ডের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিশরের একটি আদালত। গত ডিসেম্বরে প্রাথমিকভাবে ঘোষিত রায় দেশটির প্রধান ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞের (গ্রান্ড মুফতি) কাছে পাঠান হয়।
গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হওয়া প্রেসিডেন্ট মুরসিকে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে পদত্যাগে বাধ্য করানোর পর দেশজুড়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকরা বিক্ষোভ করে। ওই সময় অর্থাৎ ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে কারদাসা শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হয় বিক্ষোভকারীদের। এতে মারা যান কয়েকজন পুলিশ সদস্য। সেই হত্যাকান্ডের বিচারের রায়ে ডিসেম্বরে ১৮৮ জনকে মৃত্যুদন্ড দেন মিশরের আদালত। যাতে সমর্থন দিয়েছেন দেশটির গ্রান্ড মুফতি। তার সমর্থনেরই পরেই সোমবার চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়েছে সেই রায়।
চূড়ান্ত রায়ে পাঁচজন বিভিন্ন কারণে মৃত্যুদন্ডের সাজা থেকে বাদ পড়েছেন। এর মধ্যে দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। একজনকে দেওয়া হয়েছে ১০ বছরের কারাদন্ড। আর দুজন মারা যাওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
ডিসেম্বরের রায় ছিল ২০১৪ সালে মিশরের আদালতের দেওয়া তৃতীয় গণরায়। এই রায় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক পরিচালক সারা লেহ হুইটসন রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, গণরায় দেওয়ায় প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথাযথ সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির করা হয়নি। এতে নিরপেক্ষ বিচার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে এএফপি ও রয়টার্স জানিয়েছে, মুসলিম ব্রাদারহুড়ের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান অব্যাহত রেখেছে মিশরের সেনাসমর্থিত সরকার।
জেআই





