এশিয়াডে সোনাজয়ী ভারতীয় অ্যাথলিট পিঙ্কি প্রামাণিককে ধর্ষণ, হুমকি ও প্রতারণার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ভারতের অন্যতম নামী অ্যাথলিট পিঙ্কি পুরুষ না মেয়ে, না কি উভলিঙ্গ, তা নিয়ে গত ২৭ মাস ধরে চলা বিতর্কের অবসান হল।

তার এক সঙ্গিনী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, এশিয়াডসহ নানা দেশী-বিদেশী প্রতিযোগিতায় মহিলা হিসাবে যোগ দিলেও পিঙ্কি আসলে পুরুষ এবং পিঙ্কি তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। এ ছাড়াও প্রতারণা আর হুমকির অভিযোগও করেন ওই মহিলা সঙ্গিনী।

অভিযোগের পাওয়ার পরেই গ্রেফতার হন পিঙ্কি। এশীয় পর্যায়ে মেয়েদের ইভেন্টে ৩৫টি সোনার পদক জেতা অ্যাথলিটকে রাখা হয় পুরুষদের সেলে। তা নিয়ে তখন বিতর্কে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। কেন নিয়ম মেনে সরকারি হাসপাতালে পিঙ্কিকে পরীক্ষা করা হয়নি, সেই অভিযোগও ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে পিঙ্কির লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা শুরু হয়। বেশ কয়েকবার পরীক্ষার পরেও বোঝা যায়নি তিনি পুরুষ না মহিলা। শেষমেশ ক্রোমোজোম পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় পিঙ্কি মহিলা নন পুরুষ। তবে তার পক্ষে যৌন সঙ্গম করা সম্ভব নয়।

ওই রিপোর্ট পাওয়ার পরে পুলিশ আদালতকে জানায়, করে যেহেতু পিঙ্কি পুরুষ তাই তিনি ধর্ষণ করেছেন। দুবছর ধরে মামলা চলার পরে আদালত ওই সব অভিযোগ খারিজ করে দেয়।

পিঙ্কি পুরুষ, এই অভিযোগ ওঠার পর তার এশিয়াড, কমনওয়েলথসহ সব আন্তর্জাতিক পদক কেড়ে নেওয়ার দাবি তুলেছিল বিভিন্ন মহল। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে সব বিতর্কেরই অবসান হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ