স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কাতালোনিয়ায় আগাম নির্বাচনের ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন অঞ্চলটির ক্ষমতাচ্যুত নেতা কার্লোস পুজেমন।
বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি ‘শ্রদ্ধা’ রাখবেন তিনি। কিন্তু স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে পারবে কি না সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ২১ ডিসেম্বর কাতালোনিয়ায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা করে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার।
এদিকে কাতালোনিয়ার বিলুপ্ত পার্লামেন্টের স্পিকারকে তলব করেছেন স্পেনের আদালত।
বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে গত সোমবার পাড়ি জমিয়েছেন কাতালোনিয়ার ক্ষমতাচ্যুত নেতা কার্লোস পুজেমন।
পরদিন গতকাল কার্লোস পুজেমন বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রের (স্পেনের) কাছ থেকে পরিষ্কার প্রতিশ্রুতি চাই। নির্বাচনে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে রাষ্ট্র কি সেই ফলাফলের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে?’ এ সময় তিনি জানান, আশ্রয় চাইতে বেলজিয়ামে যাননি তিনি।
গত সপ্তাহে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার পর পুজেমন তাঁর দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে গতকাল ব্রাসেলসে জনগণের সামনে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন। এ সময় পুজেমন বলেন, তিনি গ্রেপ্তারের ভয়ে পালাননি।
তিনি স্বাধীনভাবে কথা বলতে চান, আর এ কারণে তিনি দেশ ছেড়েছেন। তিনি কত দিন বেলজিয়ামে থাকবেন তা পরিষ্কার করে জানাননি পুজেমন। বলেছেন, স্পেনের সরকারের কাছ থেকে ‘নিশ্চয়তা’ পেলেই দেশে ফিরবেন তিনি।
উল্লেখ্য, স্পেন থেকে স্বাধীনতার প্রশ্নে ১ অক্টোবরের গণভোটের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই ওই স্বাধীনতার ঘোষণাকে বাতিল করেন স্পেনের সাংবিধানিক আদালত।
স্পেনের প্রধান কৌঁসুলি হোসে ম্যানুয়েল মাজা গত সোমবার জানিয়েছেন, পুজেমনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ আনা হচ্ছে। এর মধ্যে স্পেন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের খেপিয়ে তোলা ও প্ররোচনার অভিযোগ রয়েছে।
পুজেমন সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, স্পেনের প্রসিকিউটর তাঁর ও তাঁর মন্ত্রিসভার আরও কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে যেই বিদ্রোহের অভিযোগ এনেছেন, এতে দোষী সাব্যস্ত হলে ৩০ বছর পর্যন্ত সাজা দেওয়ার বিধান রয়েছে।





