যুক্তরাষ্ট্রে পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পেন টাউনশিপের এক ফাঁকা বাড়িতে পুলিশ হানা দিলে প্রতিবেশী প্যাট বেক বুঝতে পারেন, কোনো ঝামেলা হয়েছে।
পুলিশের উপস্থিতি আরো রহস্যজনক হয়ে উঠল যখন বেক দেখলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা একটি বাক্স বাড়ি থেকে বের করে তাঁদের গাড়িতে তুললেন। এর কয়েক সপ্তাহ পর টেলিভিশনের এক সাংবাদিক প্রতিবেশী বেককে জানিয়েছিলেন ওই বাক্সে কী ছিল—একজন মানুষের মস্তিষ্ক।
বেক ওই টিভি চ্যানেলকে বলেন, ‘আমি ভয়ে প্রায় মারাই যাচ্ছিলাম। আমার মনে হয় না, তারা এ রকম মানুষ। কিন্তু আজকাল কিছুই জানা যায় না।’
পুলিশ জানিয়েছে, মস্তিষ্কটি বাড়ির বারান্দার নিচে পাওয়া গেছে। এটি ওয়ালমার্টের একটি শপিংব্যাগে মোড়ানো ছিল। এটার একটা নামও ছিল ‘ফ্রেডি’।
পুলিশ জানিয়েছে, জশুয়া লি লং নামের এক যুবক মস্তিষ্কটির নাম দিয়েছিল এবং তিনিই হয়তো এটি চুরি করেছিলেন। জশুয়া এরই মধ্যে পেনসিলভানিয়ার কামবারল্যান্ড কাউন্টির কারাগারে বন্দি। তাঁর বিরুদ্ধে চুরি-ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে।
কামবারল্যান্ড কাউন্টি পুলিশের কর্মকর্তা চার্লি হল জানিয়েছেন, মস্তিষ্কটি প্রবীণ কোনো ব্যক্তির।
পুলিশ জানিয়েছে, মস্তিষ্কটি প্রথম জশুয়ার চাচি দেখতে পান, যখন তিনি বাড়ি পরিষ্কার করছিলেন। এর পর তিনি কারাগারে বন্দি জশুয়ার কাছে যান বিষয়টি সম্পর্কে জানতে। এ সময় জশুয়া বলেন, তিনি জানতেন মস্তিষ্ক কাছে রাখা বেআইনি। আরেকজনের সঙ্গে তিনি চিন্তা করেছিলেন, এটা ‘গাঁজা’র ওপর সুগন্ধ তরলদ্রব্যের সঙ্গে ছিটিয়ে দেবেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জন বোর্ডম্যানের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, মস্তিষ্ক চুরির অভিযোগে বন্দি জশুয়া লি লংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ আনা হয়েছে।
ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, ইদানীং গাঁজার ওপর সুগন্ধ তরলদ্রব্য ছিটিয়ে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এ ধরনের তরল হাসপাতালের মর্গে ও যে বাড়িতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হয়, সেখানে পাওয়া যায়। এই সুগন্ধ তরলে রয়েছে ফরমাল্ডিহাইড, মেথানল, ইথানল ও অন্যান্য দ্রবণীয় পদার্থ।
এফএফ





