ইন্দোনেশিয়ার একটি পরিবার বিমানবন্দরে পৌঁছতে দেরি করায় এয়ারএশিয়ার নিখোঁজ কিউজেড৮৫০১ বিমানটিতে চড়তে পারেনি। এ কারণে পরিবারের ১০ সদস্য অলৌকিকভাবে রক্ষা পান। সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া বিমানটি আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণ পরই নিখোঁজ হয়।
ক্রিস্টিয়ানাওয়াতি (৩৬) নামের ওই পরিবারের এক সদস্য জানান, নিখোঁজ ওই বিমানে চড়ে মা ও ছোট ভাইসহ তাদের পরিবারের ভাগ্যবান ১০ সদস্যের নববর্ষ উদযাপন করতে সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল।
এই ভাগ্যবান পরিবারটির ১০ সদস্যদের মধ্যে ৪ শিশু ও ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি। সকাল সাড়ে সাতটার ওই ফ্লাইটে তাদের টিকিট বুক করা ছিল। কিন্তু বিমান কোম্পানিটি তাদের জন্য ফ্লাইট কিউজেড৮৫০১-এ আসন বুক করে।
ওই বিমানে না ওঠার ঘটনাটি তাদের জন্য শাপে বর হিসেবে দেখা দেয়। ক্রিসটিয়ানাওয়াতি বলেন, ‘তারা (বিমান কোম্পানি) ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর আমাদের ই-মেইলের মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করে। কিন্তু আমরা এগুলো পাইনি ।’
তিনি আরো বলেন, ‘তাই আমরা সাড়ে সাতটায় আমাদের ফ্লাইট ধরতে বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে আমাদের জানানো হয় যে আমাদের ফ্লাইটের সময় পুনর্নির্ধারিত হয় ভোর সাড়ে পাঁচটায় এবং আমরা তা ধরতে দেরী করে ফেলেছি। একথা জানার পর আমরা রেগে যাই।’
তিনি আরো বলেন, ‘খবরটি শুনে আমি রাগে দুঃখে কেঁদে ফেলি। হতে পারে এটা ঈশ্বরের ইচ্ছা ছিল যে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা ওই বিমানটিতে না চড়ি। এটা আমাদের জন্য শাপে বর হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিমানটির সন্ধান পাওয়া যাবে এবং এর সকল যাত্রীকে নিরাপদ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হবে বলে আমি আশাবাদী।’
এমএ





