লিবিয়ার একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী রাজধানী ত্রিপোলির মার্কিন দূতাবাস দখল করে নিয়েছে। তবে, মাসখানেক আগেই দূতাবাস থেকে কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেয় আমেরিকা। ‘ফজর’ নামের গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দূতাবাসটি দখল করেছে তারা।

ফজরের এক কমান্ডার বলেছেন, গত সপ্তাহ থেকে এ দূতাবাস তাদের নিয়ন্ত্রণের রয়েছে। ত্রিপোলি থেকে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নেয়ার এক মাসের কিছু বেশি সময় পর দূতাবাসটি দখল করে নিল ওই সশস্ত্র গোষ্ঠী।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নিরস্ত্র লোকজন দূতাবাসটির চত্বরে খেলাধুলা ও ঘোরফেরা করছে। এ ছাড়া, দূতাবাসের একটি ভবনের বারান্দা থেকে কিছু মানুষের সুইমিং পুলে দুঃসাহসিকভাবে লাফিয়ে পড়ার দৃশ্যও ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।

সশস্ত্র গোষ্ঠীটি দূতাবাস চত্বরে এপির এক সাংবাদিককে ঢোকার অনুমতি দেয়। দূতাবাসের ভবনগুলোর জানালা ভাঙচুর করা হলেও আমেরিকানদের ফেলে যাওয়া বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি অক্ষত রয়েছে বলে ওই সাংবাদিক দেখতে পেয়েছেন।

ইসলাম বিরোধী চলচ্চিত্র নির্মাণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জের ধরে বেনগাজি শহরে মার্কিন দূতাবাসে হামলা ও রাষ্ট্রদূত ক্রিস স্টিভেনসহ চার মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার প্রায় দু’ বছরের মাথায় ত্রিপোলির দূতাবাস দখল করল ফজর গোষ্ঠী। ত্রিপোলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকা এ গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ত্রিপোলি বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে জুলাই মাসে সব কর্মীকে সরিয়ে নেয়া হয়। বিমানবন্দরটির দখল নিয়ে এ এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রচণ্ড লড়াই হয়েছে এবং সে সময় মার্কিন কর্মীদের কয়েক সপ্তাহ কংক্রিটের বাঙ্কারে কাটাতে হয়েছে। সে সময় ভারী অস্ত্র সজ্জিত ৯০ জন মেরিন সেনা দূতাবাসের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল। অবশ্য সংঘর্ষ চলাকালে দূতাবাস ভবনে সরাসরি কোন আঘাত লাগেনি। সূত্র: আইআরআইবি

ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ