তেহরানের জুমার নামাযের খতিব আয়াতুল্লাহ মুহাম্মাদ আলি মোয়াহহেদি কেরমানি বলেছেন, গাজা সমস্যা সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সমস্যা। ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের মিত্রদের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে গাজায় নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শুক্রবার তেহরানের জুমার নামাযের খুতবায় কেরমানি বলেন, সাংবাদিকদের উচিত গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার চিত্র তুলে ধরে বিশ্ববাসীকে জাগিয়ে তোলা,যাতে বিশ্বব্যাপী ইসরাইলের পতন কামনা করে শ্লোগানের ধ্বনি ওঠে।

তিনি আরো বলেন, ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যই হলো মানুষ হত্যা করা। এ প্রসঙ্গে তিনি লেবাননের সাবরা শাতিলায় ফিলিস্তিনী শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ওই হামলায় অন্তত ৩২০০ ফিলিস্তিনী শরণার্থী শহীদ হয়েছিল।

গাজা গণহত্যার ঘটনায় কোনো কোনো মুসলিম দেশসহ বিশ্বসংস্থাগুলোর নীরবতার সমালোচনা করে জনাব কেরমানি বলেন, যে-কোনো উপায়েই হোক আগ্রাসী ইহুদিবাদী ইসরাইলকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে হবে। ইসরাইলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ তাদের পৃষ্ঠপোষকদের সাথেও সকল সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।

ইসরাইলকে মোকাবেলা করতে ফিলিস্তিনীদের অস্ত্র দেওয়ার যে পরামর্শ দিয়েছিলেন সবোর্চ্চ নেতা, তারও পুনরাবৃত্তি করেন জনাব মোয়াহহেদি কেরমানি। তিনি বলেন, বিশ্ব বিবেক আজ জেগে উঠছে, ইসরাইলের পতন অবশ্যম্ভাবী।

হামাসের পাল্টা হামলায় নাস্তানাবুদ ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জুমার খতিব। তিনি বলেন, যেদিন গাজার ওপর থেকে অবরোধ পরিপূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হবে, গাযার ওপর আগ্রাসন বন্ধ করাসহ ফিলিস্তিনীদের অধিকার মেনে নেওয়া হবে, সেদিনই কেবল যুদ্ধ বন্ধ হবে, তার আগে নয়। সূত্র:আইআরবি

ঢাকা, ৩১ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //জেডআই