পাকিস্তানের দু’জন বিরোধী নেতার ডাকে বৃহস্পতিবার সরকার পতনের দাবিতে লাহোর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু হয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করেই এ লংমার্চ শুরু করেন তারা।

সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান ও জনপ্রিয় ধর্মীয় নেতা তাহিরুল কাদরি গত বছর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ইসলামাবাদ অভিমুখে বিশাল লংমার্চের কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন। লংমার্চে এই দুই বিরোধী দলীয় নেতার হাজার হাজার সমর্থকের নেতৃত্ব দেয়ার কথা রয়েছে।

সরকারবিরোধী এই বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সরকারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকার এই লংমার্চ ভণ্ডুলের চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইসলামাবাদের বিভিন্ন স্থানে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ কাঁটাতার ও জাহাজের কন্টেইনার দিয়ে ইসলামাবাদগামী প্রায় সকল সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে।
নওয়াজ শরীফ ২০১৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসেন। ইমরান খান ও তাহিরুল কাদরি দু’জনেই বলে আসছেন ওই নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে তারা নওয়াজ শরীফের পদত্যাগ ও নতুন নির্বাচনের দাবিতে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে গণজমায়েতের ডাক দিয়েছেন।

বুধবার লাহোর হাইকোর্ট ‘অসাংবিধানিকভাবে’ রাজধানীতে লংমার্চ না করতে ইমরান খান ও তাহিরুল কাদরির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলী খান বলেছেন, আদালতের আদেশ ‘পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন’ করা হবে।

তবে খান ও কাদরি দু’জনেই বলেছেন তারা তাদের লংমার্চ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেনই।

কাদরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, কোনো ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটলে তার জন্য ‘একমাত্র’ সরকারই ‘দায়ী’ হবে। সূত্র: বিএসএস

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ