ইরান চূড়ান্তভাবে এক লাখ ৯০ হাজার পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের অধিকার চায়। ইরানের এই দাবি ভিয়েনায় একটি আলোচনাধীন চুক্তির আওতায় বিশ্ব শক্তিসমূহ যে সংখ্যক পারমাণবিক চুল্লির অনুমতি দিতে ইচ্ছুক তার ১৯ গুণ বেশি।
ইরানের এই দাবির কথা মঙ্গলবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। তার এ মন্তব্যকে ইরানের সঙ্গে ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির পি৫+১ গ্রুপের মধ্যে চলমান পারমাণবিক আলোচনার মধ্যে এক নাটকীয় হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রুদ্ধদ্বার কক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে থাকলেও খামেনির এই মন্তব্য এ যাবৎ ইরানের দাবির সবচেয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা।
ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ব্যবহৃত যন্ত্রের উল্লেখ করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য হলো আমরা আমাদের কাছে ইতোমধ্যে থাকা পুরনো ধাঁচের ১০ হাজার পারমাণবিক চুল্লির সমক্ষমতার ১০ হাজার পৃথকীকরণ কার্য এককের সামর্থ্য মেনে নিই।’
ওয়েবসাইটে খামেনির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমাদের কর্মকর্তারা বলছেন আমাদের এক লাখ ৯০ হাজার ইউনিট প্রয়োজন। হয়তো আজ নয়, কিন্তু দুই কি পাঁচ বছরে এটাই হবে আমাদের দেশের সত্যিকার চাহিদা।’
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দুই থেকে চার হাজার পারমাণবিক চুক্তি থাকার বিষয়টি মানতে পারে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ ফেবিয়াস গত মাসে বলেছিলেন যে, ইরান ‘কয়েকশ’ পারমাণবিক চুল্লি’ রাখতে পারে। তবে তারা ‘কয়েকশ’ হাজার’ চুল্লি রাখার দাবি জানাচ্ছে।

পি৫+১ এর উদ্যোগে যে চুক্তিটি করতে চাওয়া হচ্ছে তার চূড়ান্ত লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্খা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নিরসনের মাধ্যমে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রসঙ্গটির ইতি টানা এবং ইরানের ওপর পশ্চিমা শক্তিসমূহের আরোপিত শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞাসমূহ তুলে নেয়া।সূত্র: বিএসএস

ঢাকা, ০৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ