সিরিয়ায় আসাদ বাহিনীর গ্যাস ও ব্যারেল বোমা হামলায় অন্তত ১৯ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার বিভিন্ন মনিটরিং গ্রুপ ও মানবাধিকার সংগঠনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা ও রয়টার্স।
সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশের শারমিন শহর ও বেশ কয়েকটি গ্যাস ও ব্যারেল বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় একই পরিবারের তিন শিশুসহ ৬ জন মারা গেছেন বলে জানা গেছে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ খবর জানিয়েছে।
শারমিন শহরে গ্যাস বোমার ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি ছিল ক্লোরিন গ্যাসের হামলা। শহরটিতে হামলার পর আক্রান্তদের অনেককে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর অনেকেই প্রচণ্ড কাশিতে আক্রান্ত হন এবং অনেকের মুখেই মাস্ক দেখা গেছে।
বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণই প্রমাণ করে যে গ্যাস বোমা হামলা চালানো হয়েছে। নিহত তিন শিশুর দেহ ফ্যাকাশে হয়ে যায়, শিশুদের কারোরই বয়স ৫ বছরের বেশি নয়। তাদের চোখের পাশে কালো গোলাকার দাগ দেখা গেছে। উল্লেখ্য, সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে এর আগেও রাসায়নিক গ্যাস বোমা হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আর এই অভিযোগে আসাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হতেও প্রস্তুতি নিয়েছিল মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা শক্তিগুলো। কিন্তু অনেক দফা-রফার পর হামলার হাত থেকে বেঁচে যায় আসাদ বাহিনী। সমস্ত রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের শর্তে মার্কিন হামলার হুমকি থেকে মুক্ত হয় আসাদ প্রশাসন।
তবে, এবার যদি আবারো প্রমাণিত হয় আসাদ বাহিনী রাসায়নিক বোমার ব্যবহার করেছে তাহলে আবার নতুন করে জটিলতা শুরু হতে পারে। এর পরিণাম ভয়াবহও হতে পারে আসাদ প্রশাসনের জন্যে।
এমএ





