ইমরান খানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ ও প্রদেশগুলো থেকে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের সদস্যরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ৪টি প্রদেশেরে মধ্যে শুধুমাত্র পাখতুনখোয়া এর সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। খবর, ডন অনলাইনের।
সোমবার সংগঠনিট এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংগঠনের সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান পিটিআই নেতা শাহ মেহমুদ কোরাইশি। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় সংসদ ও প্রদেশগুলোর স্পিকারের কাছে পদত্যাগ পত্র দেওয়া হবে।
গত বছর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) এবং পাকিস্তান আওয়ামী তেহররিক (পিএটি) লংমার্চ করেছে। লংমার্চ শেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিল পিটিআই।
২০১৩ সালের নির্বাচনে জাতীয় সংসদে ৩৪২ আসনের মধ্যে ৩৪ আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহৎ বিরোধী দলে পরিণত হয় ইমরান খানের দল।
পিটিআই নেতা শাহ মেহমুদ কোরাইশি বলেন, অন্দোলনের সকল পন্থা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাখতুনখোয়া প্রদেশের আসনগুলো থেকে পদত্যাগের বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টি (পদত্যাগ) নিয়ে তারা জোটের শরীকদের সাথে আলোচনা করতে চান।
পিটিআই নেতা বলেন, " নওয়াজ বলেছেন নির্বাচনটি পাকিস্তানের ইতিহাসে স্বচ্ছ নির্বাচন ছিল; আমরা বলেছি এটা ছিল সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ছিল। আমরা বলি নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট ছিল। তারা বলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত ঐক্যমতের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, আমরা বলি দুইটি রাজনৈতিক দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল... "
এর আগে রোববার ইমরান খান বর্তমান সরকারকে বিদ্যু, গ্যাস,পানি বিল এবং কর না দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জাতীয় সম্পদ লুন্ঠন করে নওয়াজ শরীফ নিজের ব্যবসা সমৃদ্ধ করছে।
ঢাকা, ১৮ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





